যেদিন তুমি চলে যাবার চিঠি লিখলে সে
চিঠির অক্ষরগুলো শিখিয়ে দিলো আমার ভেতর
তুমি ঠিক কতটা রয়েছো,
আমি কিচ্ছু বলতে পারিনি একটা মাতাল ্
হাওয়ায় শুকনো পাতায় আমার অস্তিত্ব তখন দিকশুন্য
জানতাম তোমায় রাখার সাধ্য নেই আমার এই জানাটুকুকে
অজস্র বার আড়াল রেখে ঈশ্বরের সাথে কথপোকথন
সেরেছি তোমার বিনিময় আমি... কখনো কখনো
মন বলেছে ঈশ্বর জিতিয়ে দেবে৷ সমাজ সংসারকে তোয়াক্কা
না করে তোমার কথা ভেবেছি তোমার কাছে নিজেকে রেখেছিলাম
আমার মাতাল ঘোর তুমিহীন আমাকে দেখতে রাজি নয়
শিখতে চাইনি তুমি ছাড়া বাঁচতে ,
তুমিও শেখাচ্ছিলে আমি পালিয়ে গেছি মস্তিষ্কের কাছ থেকে
মনের কাছে।...একটা মিরাক্যাল একটা ম্যাজিক কিংবা
আলাদীনের সেই প্রদীপ এর জিন এর অপেক্ষায় স্ত্রোত পাঠ
করেছি।
জানোই তো এ পৃথিবীতে তোমার মত ঈশ্বরও নন ঈশ্বরের অপরাধ এর হিসেব কে রাখে জানি না... জানতেও চাইনি
আমার চাওয়া চিরকালই সামান্য আর সেই সামান্যে তুমিই
একান্ত তুমিই নিজের তুমিই স্বার্থহীন তুমিই...
হাতড়ে বেড়াই তোমায় কুঁকড়ে যাই ভয়ে শীত করে জ্বর আসে তুমুল মাটি আঁকড়ে কাঁদতে কাঁদতে দিন কাল মাস
পেরোই মরসুম বদল হয় আমি তোমার অপেক্ষা তোমার দিকে হাঁটতে থাকি.... "মা"
#সই (মা)
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন