আমার হাতে কোনও শৃঙ্খল ছিল না,
বন্ধন ও নয়, ছিল না বিদ্রোহ
তবু, এতদিন তিলে তিলে গড়ে তোলা সভ্যতাএক
দমকা বৃষ্টিতে কীভাবে ধুয়ে গেল।
আর ওই যে বিশাল
সাপের মত ক্ষ্যাপা নদী
আমায় ভাসাত তা আমি জানতেও পারিনি
কখনো । সেই অর্গল সজল উচ্ছল
গাম্ভীর্য সারাদিন, সারারাত আমাকে ভাসিয়ে নিয়ে চলত এক কিনারা থেকে আর এক কিনারা।
সে সময় ভেসে গেছে আমার আবরণহীন
দুঃখগুলো ভাসতে ভাসতে আমি পড়তে শিখেছিলাম গাঢ় দীঘিকার সজল তোমার দু চোখের ভাষা, আমি শুনতে
পেতাম সমুদ্রের নাভি থেকে উঠে আসা
চাপা জললিপির ভাষা বাউলের এর গলায় তোমার গান, দিশেহারা, ওলোট-পালোট ঢেউয়ে
আমায় শীতলক্ষ্যার গভীরে গার্হস্থ্য-সন্ন্যাস সব পূরণ করতো ,
আর এখন জোয়ারে জোয়ারে এ আমাকে কোথায় নিয়ে চলেছে আমার নীরবতা আমার ভাষা আমার যত্নে রাখা যন্ত্রনা আজ শহরের বুকে মজা নদীর মত, অরণ্যে অহল্যার মত ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন