তোমার দিকে বন্ধ দরজাটা ফিরিয়ে দিলাম
ভীষণ বৃষ্টিদিন আজ... ঝড়ে উড়ে যাচ্ছে
ক্ষত মেলে ধরো ডাকের সাজে
অর্থহীন নিষিক্ত আঘাত,
ঋতু বিনিময় হয়ে ছিল আমাদের যে স্বপ্নে
সেখানে এখন গুটিয়ে রাখা খরম রুগণ দিঘির পাড়ে... জলপটি দেওয়া কাপড়টা আর একবার ভিজিয়ে নিয়ে কপালের ওপর বেঁচে থাকার চেষ্টা মাত্র,অন্য জন্মের রেশ রয়ে যাওয়া বাঘনখ আমি স্পষ্ট দেখতে ও বুঝতে পারি ,স্মৃতির কাঠামোয় মাটির প্রলেপ... অন্ধকার শব্দ-ছায়া স্বরযন্ত্রের ফাঁকে অপেক্ষা গুঁজে রাখতে রাখতে আমি ক্রমশ নীচের দিকে নেমে চলেছি শ্বাসমূল হাতে। তোমায় মনে পড়ছে আজ সারাদিন ধরে ... সন্ধ্যের মুখোমুখি অগুনতি স্থবিরতা চরাচর জুড়ে রঙ এঁকে চলেছে হৃদয় ঘুলঘুলিতে ,,লাল হলুদের সাথে মিশে যাচ্ছে নিঃশব্দ বৃষ্টিবিন্দু। কবেকার ফেলে আসা হারানো অতীত আজও অধিকার বোধে আঁকড়ে ধরছে চিত্রাঙ্গদার চুপি চুপি ঘুমিয়ে পড়া শরীরটাকে। রেনকোর্টের গা থেকে বৃষ্টিবিন্দু মুছে নিতে নিতে ভাবছি সেদিনও শেষ প্রহরে হয়তো এভাবেই কালপ্যাঁচা ডেকে উঠেছিল...আমার দু-চোখ বেয়ে সন্ধ্যা নামছে... তুমি হয়তো কখনো বুঝতে চাও নি, কেবলই মুড়ে নিচ্ছ নীলগ্রহের নিশ্বাস।। আমায় পুড়িয়ে বুড়িগঙ্গায় ভাসিয়ে দিয়েছ
একদিন কালের স্রোতে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন