শুভেচ্ছা শব্দটা আত্মিক নয় বলেই পাশে না থেকেও শব্দটা ছুঁড়ে দেওয়া যায় ,
বিসর্জন হয় তখন যখন গ্রহণ করে নেওয়া মুহুর্ত বলে কিছু জন্ম থাকে ,
কিছুই যখন উপার্জন করা হয়নি ...মাটি জল মিশে গেলেই বা হারাবার কিই পড়ে থাকে ?
আসলে এই আমরা .....তুমি আমি মাঝে মাঝেই অজুহাত খুঁজি নিজেদের ঢেকে ফেলার ...খুঁজি শব্দের আড়ালে মর্ম কে বিসর্জন দেওয়ার ফাঁক ফিকির ।
দিন উৎসব ছুঁয়ে পেরিয়ে যায় শহর রোশনাই থেকে অবনিবাসে গুঁটিয়ে নেয় সমস্ত উপঢৌকন ..... হাতে হাত রেখে পাশে থাকা সম্পর্কর সাজসজ্জা খুলে উলঙ্গ করে কাঠামো থেকে মাটি গলিয়ে নিস্তার নিঃশ্বাস নেয় ......ওরা কারা !
আজকাল উৎসব, শুভেচ্ছা , উজ্জাপন এসব শব্দ শুনলেই গা গুলিয়ে ওঠে । চোখের সামনে
ভেসে ওঠা দৃশ্যে ন্যাকাপনা ,ঢলাঢলি , আর কভার পিকচারে প্রেতআত্মার স্পষ্ট মুখ গুলো খিলখিল করে ওঠে ....যেন ন্যাপকিনে বাসি ঋতুস্রাবের দুর্গন্ধ ।
.....আমার দুর্গা নেই , আমার মা নেই , আমার আশ্রয় নেই , আমার আকাশে তুবড়ি ঝরানো আলোর হাসি নেই , আমার সাথে ও পাশে কেউ নেই , হ্যাঁ কিছু প্রয়োজনে স্বার্থপর সম্পর্ক ঢাকের সাজে সেজেছিল , ...সেসব সময়ের প্রয়োজনে উৎসব প্রতিমা মুখ থেকে .....কখন যে মুখোশ হয়ে গেছে কিছুই আর দৃশ্যে নেই ।
.....বহুদিন আমি সোলো-রাইডার ,
কেবল মুখ ভেঙছে ....জমাটি কালো বদ রক্তে নিয়মিত অনাকাঙ্খিত সময় ধরে হেঁটে চলা অনিয়ম মাত্র।
শুভেচ্ছা শব্দটা আত্মিক করতে গেলে বিসর্জনের প্রয়োজন হয় না ,
প্রতি বছর বিসর্জন হয় কারণ ফিরিয়ে আনার জন্য ,
আমি বিসর্জন আর শুভেচ্ছায় বিশ্বাসী নই তাই একটাও কবিতায় শুভেচ্ছা বিনিময় করতে পারিনি কখনো ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন