বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১

সুবর্ণা( ১০৯ )

 এটা মনে হয়না আর ... সব ঠিকানা হারিয়ে গেছে... আসলে কোনো ঠিকানা ছিলোই না কখনো।
  কখনও কোনো পোস্টকার্ড আমি পাঠাইনি  মন কেমনের দিনে কোনো ডাক বাক্সে ...।
 আমার  পৃথিবী ভেসে যায় অসময়ের বৃষ্টিতে ।
আমি নিজের ভেতর আরো বেশি করে নিবিড় হতে থাকি ...আমি আমার খুব কাছে গিয়ে নিজেকে জাপটে বুকের মধ্যে সেটে রাখি  ।
  পোড়া ছাই আর বিসর্জন-রঙের আবছা রোঁয়াওঠা কার্ডিগানে পুরোনো রক্তের দাগ  দীনেশচন্দ্র সেনের পুঁথির হলদেটে আলো মিলিয়ে যায় আমার  আকাশেও ওই মঞ্চস্থ প্রেতাত্মা দের মতোই । 
ত্রিবর্ণে  অসাম্য গতি নেই আর ,সবাই শান্ত হয়ে নিজস্ব সংসার গুছিয়ে নিচ্ছে এখন। 
একটা উপন্যাসের নাম যদি দীর্ঘতম ইতিহাসে স্হান পায় তাহলে বিস্তার ও চালচিত্রে একদিন সময় ঠিক কথা রাখবেই আর সেদিন জিতে যাওয়ার পালা সবটুকু হেরে গিয়েও  ...।

তোমায় ভালোবাসিনি  সুবর্ণা.. যে মুহূর্তে তোমার উত্তরের স্মৃতিতীর্থ নতুন পলাশের  হওয়ায় হারিয়ে গেছে ....
 সেদিন থেকেই তুমি বলে কিছু ছিলো আমার মনে পড়ে না । ভুলে গেছি কে কবে তোমার মনের পাশে কোরান রেখেছে... ভুলে গেছি রক্তের রঙ পরীক্ষা করে বলেছে তুমি  আর  আমি ভিন্ন । 
প্রতিটি কেন্দ্রবিন্দুতে চিত্রকর ছবি আঁকছেন বুঝলে  সুবর্ণা ।.
.... সংক্রমণ...... টিকাকরণ  বুঝে ফেলার আগেই অ...সু...খ ..ছড়িয়ে গেছে সারা দেহে মনে।
 অথচ উপেক্ষিত জনজাতির প্রতিনিধিদের মতো কে  আজও তোমার যোনির কথাই লিখে যাচ্ছে পাতার পর পাতায়। 
.. নষ্ট মানুষ আমি । আর এভাবেই ভাবতে ভাবতে আমার লেখার খাতায় ছড়িয়ে পড়ছে মাটির গুঁড়ো... প্রতিমার হাত... যা দিয়ে প্রাচীন সফরের প্রান্থসালার  ইট  গাঁথা হ'য়েছিল একদিন...,।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন