.. মরফিন সংসারে একটি বিকল আঙুল ছুড়ে দেয় শীতের ফাটা চামড়ায় দীর্ঘ ডিঙিপথ,, __
রুকস্যাক ভর্তি ছেঁড়া চটিজুতো... মৃদু আঁচে সেঁকা নিজের মাংস ।
ভাঙা মানভঞ্জনের চূড়ায় হাওয়া পাক খেতে খেতে সাবধান হতে ভুলে যায় কথারা..।
. হাততালি বাজিয়ে নেচে ওঠো জানি আজও,,সব শেষে অন্ধ সম্পর্কের সাথে নাম-সংকীর্তন করে বাড়ি ফেরও গভীর রাতে ।
ডাইনির কাছে টোটেম ও টাবুর গল্প শোনে মৃত জোনাকি স্বর্গ দুয়ারের অপেক্ষালয়ে,
শিকারির মাথার ভেতর জটাভর্তি শালবাড়ি... শিমুলিয়া... নিমগন্ধ... শিরীষবিকেল... পলাশসন্ধ্যে... জারুলঘুম... বটের পাঁজর... অশ্বত্থশিরা... হিজলরাত... শ্যাওলারঙ সব খাবি খাচ্ছে ।
ডানাঝাপটানোর শব্দ শোনা যায় বন্ধ ঘড়ির বুকে তোমার ড্রইংরুমে ।
তেত্রিশ কোটি বিরহে মৃত্যু রং আবিষ্কার হয় ধীর গতিতে আমার ভেতরেও।
তবু মৃত্যুশব্দ শোক ফেলে রাখে ঘুঘুবনে..
. শীতঘুম চাই মস্ত বড় .... শরশয্যায় বুক পেতে শুয়ে আছে সময় ... ।
. নানান স্কেচ ও বশীকরণজন্মের বিবর্ত উপকথা লিখছি ....লিখছি তোমার বায়োগ্রাফি।
ভাঙা গ্লাসে সমুদ্র ঘুমিয়ে পড়লে কেমন দেখতে লাগে সে ছবি কেমন আমি জানি না ।
তুমি তো জানো ফুটন্ত ঢেউয়ের গন্ধে
আমার বড়ো একলা লাগে নিজেকে
আর তখন মাথার ভেতর তোমার চকের আঁকিবুকি খুব দরকার হয়ে পড়ে ।
তাই আসছে জোয়ার ভাটায় পারলে একবার ফোন করো এটা ভেবে যে আমার প্রতি তোমার শেষ আহুতি টুকু সম্পন্ন হলো , আমি মুঠোফোন রাখবো বুক পকেটে তুমি আঙুলে রেখো আমার ঠিকানার চিরকুট।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন