.
দেহের সৎকারে নাভির বিলীন হয়নি
তবু জন্মের আঁতুড়ঘর থেকে অনেকদুরে কোথাও হারিয়ে যেতে হবে সব নক্ষত্রকে একে একে।
কাগুজে পরিচয় পত্রের জন্ম লিখে রাখে পৃথিবীর ইতিহাস।
শরীরের ঘর, মনের ঘর, সামাজিক ঘর... যেন ঘিঞ্জি বসতি সমস্ত বেঁচে থাকা জুড়ে।
সূর্য ঘুমিয়ে গেলেই নিজস্ব কুপির আলো জ্বালিয়ে জীবনকে সেঁকে নিতে হয় রাতভর,
. মানুষের মনের আকাশের অজস্র চরিত্রের মেঘ ভেসে বেড়ায়, তবু এক মুহুর্ত সময়ের গতিপথ থামে না
সময়ের রাজার চুলের রঙ ফ্যাকাসে হয় প্রতি বসন্তের আগেই,
শীত-কাঁপন এর তিব্রতাও বছরের সংখ্যা আকাশমুখি ক্রমশ।
মানুষ নিজের কবিতায় নিজেই রাজা থেকে ভিখারি সাজে রোজ নানান মঞ্চে।
সমুদ্র সফেনে হারিয়ে যায় প্রিয় মুখ, চোখের উপকূল জুড়ে
ছড়িয়ে থাকে চেনা অচেনা পায়ের চিহ্ন,
.
আকাশের দিকে তাকিয়ে থাকা ঝাঁকড়া গাছটা কি করে যেন একরকম বিস্ময়কর ক্ষমতায় ভালো থাকা শিখে নিয়েছে,
মানুষের ভিড়ে গাছটার খোঁজ স্বতন্ত্র, তার সবুজে বেঁচে থাকার কবিতা অনন্ত,
আসলে গাছ, আকাশ, মৃত্যু শব্দটা যতটা সত্যি মানে
তার থেকেও সত্যি মানে... বাঁচা মানে প্রতিটা নিশ্বাসে একটা উজ্জ্বল উজ্জাপন,
মানে মৃত্যুর একটা পরিবর্তন মাত্র।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন