তোমার সাথে সব কথা হয়তো শেষ .... আমার ভেতর কেউ তবু অনর্গল আমার সাথে মুখোমুখি বকবক করে সারাক্ষণ।
ভীষণ একলা হতে ইচ্ছে করে, ইচ্ছা করে আমার ভেতর আজীবনের নিস্তব্ধতা এসে ঘর বাঁধুক ,
অথচ শব্দরা প্রতিবাদ করে সে নিস্তব্ধতা গুড়ো করে দেয় নিমেষে
কিছুতেই একা হতে পারি না আমি ,
নিজের সাথে নিজে যে মুহুর্তে ভালো থাকার বন্ধনে বাঁধি... তখনই আমার ভেতর কেউ বকবক করে চলে অসম্ভব চিৎকার করে ,
ইদানিং একালা থাকতে ভালো লাগে ভিষণ অথচ একলা থাকাটা হয় না কিছুতেই।
.
আলোহীন রাস্তা ধরে হাঁটতে ভালো লাগে নিজেই নিজের হাতে হাত রেখে
একা থাকা এক অদ্ভুত নেশায় পেয়েছে... একা কোনো গন্তব্য হীন পথে এগিয়ে যাওয়া এক অ-সুখ আমাকে পেয়েছে।
কবিতার শব্দরা বন্ধনী ছেড়ে একা একা রাত জাগে..
শব্দদের দিন কাটে যেমন বাউল কাটায় প্রহর
তবুও কেন জানি আমার একা থাকা হয় না ।
.
বড় একা ও নিস্তব্ধ থাকতে ইচ্ছে করে আজকাল
চারদেয়ালের ঘরের মেঝে জুড়ে কেউ যেন অজস্র বকবকানি ছড়িয়ে ছিটিয়ে রেখেছে ।
রেলিং ভর করে রাস্তার দিয়ে তাকিয়ে থাকা সড়কটাকে
বহুদিন... বহুরাত একলা হতে দেখিনি।
রবিঠাকুরের গান কোনো পুর্নিমার একলা রাত পেরিয়ে শুধুই শহরের ভিড়ে রিমিক্স এখন।
বহুদিন একা ফাঁকা বাসের সিটে একলা কোনো স্মৃতি কে আনমনে আকাশ দেখতে দেখিনি ।
এই পৃথিবীর এখনো কোনো একলা থাকার ঋতু আসেনি।
কারনের উৎসব , কারনের অধিকার , কারনে সম্পর্কের মাঝে হাতে হাত আর কারণের কিছু আশ্রয়ে মানুষ একলা থাকতে ভুলে গেছে এখন, কিংবা একলা থাকতে ভয় পায়।
আজকাল ভালোবাসার গলার স্বর শুধু শুনতে ইচ্ছে করে না
আজকাল আমার ভেতোর কার যেন ঠোঁটের নড়াচড়া আর বকবক অনর্গল আমাকে ঝালাপালা করে দেয়
শব্দহীন একটা পৃথিবীর দেখতে ইচ্ছে করে.... ভাল থাকার জন্য নিজের সাথে নিজে একলা থাকা, নিজের সাথে পথ চলা, নিজেকে বুঝে নেওয়া... খুব জরুরী।
তবু পারছি কই একা থাকতে
যেন কেউ অনর্গল ইদানিং আমার ভেতোর শব্দের কারখানায় হাপরে টান দিয়ে চলেছে হাতুড়ি মারছে শব্দ গড়তে।
বড় এক থাকেতে ইচ্ছা করছে ।
একেবারে নিস্তব্ধতা একা আলোহীন হয়ে নিজের ভেতোরে একা থাকতে ইচ্ছে করছে।
.
“
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন