সোমবার, ২৮ নভেম্বর, ২০২২

ঘর বাঁধতে শেখা


সময়ের স্বাদকারক  বুঝে ফেলে সব রকম  কথাদের 

একলা কোনো বিরহী  অভিমান বোঝে  ...  সামান্যই  হোক তবু থাকুক নিষ্ঠার  স্পর্শ, 

এভাবেই বয়স যখন ষোলো  কিংবা বয়স যখন পরিযায়ী পাখির মত চেনা কালো পরীর হ্রদ ছুঁয়ে দূর কোনো সফরের পথে 

শহরের সোয়েটারের সাথে ওম তখনও  প্রয়োজন ঠিক  প্রিয়জনের  মতই । 


সময়ের বোঝা সময়ই পিঠে বেঁধে  নেয়

শিরায়  প্রবাহিত তরলে নানান ক্ষিদে প্রথম  বসন্তে ও শেষ  বসন্তে  থেকেই যায়  শুধু সে ক্ষিদের ধরন পালটে দেয় স্থান, কাল। 

প্রতিক্ষা কে মুক্তি  দিতে শিখলেই পর মুহুর্ত নতুন সূর্যদয় দেখে জীবন,

আর সময়কে স্বাগতম  জানালেই একটা আবিষ্কারের সামনে দাঁড়ানো যায় । 

তখন ভালবাসা  মানে মুক্তি  লেখা আকাশ 

তখন  চায়ের কাপের ওমে নিজেকে   নিবিড় করে চাওয়া একটা নিজস্ব  অনুভূতি যেন  চিরন্তন। 

তখন পাখিরা রুপকথার  গান গাওয়া শিখে নেয়।


আসলে যে টুকু  যেমন সেটুকু  অপরিবর্তিত  রেখে  নিতে জানা শিখে নিতে হয় নিজস্ব  তথাগতর কাছ থেকে সকাল বেলাতেই। 

 দিনের প্রহরে প্রহরে  শব্দ জব্দে জন্ম মৃত্যু  সবই লুকোনো থাকে... লুকোনো থাকে যুদ্ধ  হার জিত 


 তবুও এ শহর  এভাবে দারুন বেঁচে থাকতে শিখে নেয়   ,এ শহর বাঁচতে চাওয়াকে শুভেচ্ছা  জানায় স্বার্থহীন হয়ে।

এ শহর  জিশুর ক্রুসবিদ্ধ পট সামনে রেখেও মৃত্যু  না বেঁচে থাকার উৎসব  পালন করে।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন