শব্দের হাঁড়িতে কাঠের জ্বাল দিয়ে একটা দেশ অথবা মানুষ হয়ে ওঠার অধিকার সুপক্ক ভাবে রেঁধে ফেলা সহজ নয় কোনো কালেই,
ইতিহাসে জায়গা পেতে গেলে প্রেমের কান কেটে কিছু পাগলামি উড়িয়ে দেওয়ার জন্যেও বুকের তটের মাটিকে উর্বর করে নিতে জানা খুব জরুরী।
সময়ের স্রোতে কাঠের পাটাতন ভেসে বেড়ায়, আবার সরগম তার আশ্রয় খুঁজে বাঁশির অন্তরমহলে প্রেম রাখে নিভৃতে।
এক উঠোনে বারো ঘর তবু, ঘর বাঁধতে এক টুকরো মন জমিন নেই এ গ্রহর বুকে।
মন বাউল একতারায় কাঁদে কোনো না কোনো সুরের ভুমিকায়।
শব্দের প্রতিবাদ বাতাসে নবান্নের গন্ধ ছড়াতে পারেনি... তাই
ভিন্ন রকম খিদেতে মানুষ আজও কাঁদছে।
ভোর রাতে ঘুরে দাঁড়ানোর স্বপ্ন আসে... মনে হয় এবার বুঝি দেশটা বদলে ফেলা যেতেও পারে।
সকাল থেকে জলের লাইনে জীবন দেখি অগুনতি ফর্মায়
সাজানো, বুঝে উঠতে পারি না মানুষ স্বপ্ন কেনো দেখে?
একটা গান দিয়ে একতারা, বাঁশি আর কান্না কে একই সংগতে বাঁধার লোভ হয় সমস্ত জীবনে দর্শনের শেষে রেখে যাওয়ার ইচ্ছা নিয়ে সামিল হতে হয় রোজকার মিছিলে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন