একদিন নিজেরই হাতে হাত রেখে আরশি নগরের পথে হাঁটবো ,
আমার শেষ না হওয়া উপন্যাসকে বলবো,
এসেছি এবার কথা রেখেই ফিরবো।
পথের ওপর লুটিয়ে থাকা গাছের শুকনো পাতাদের স্পর্শ করে বলবো,
মনে আছে তোমাদের তুবড়ি ঝরানো হাসির আলো মুহূর্তে বিহ্বল করেছিল আমার প্রথম পথ চেনার দিনগুলোকে ।
আরশি নগর যাওয়া হয়নি , তবু আমার চোখে বুকে এক আরশি নগরের স্পষ্ট নকশা আছে -
চিনে নেবো নিজের মত করে সে কোনো এক ভোরের দুয়ার খুলে।
আমার ভাঙাগড়া সংসারের মাঝে ২০৬ টা হাড়ের কাঠামোয় রাখা ঠিকানায় তুমি নামক স্পর্শ একদিন বাতাস পাঠাবে ঠিক ,
সুরজকা সাতবা ঘোড়ার ক্ষুরের ধ্বনি বুক পকেটের নিয়ে চিৎকার করে বলবো এ প্রার্থনা মঞ্জুর হোক সময়ের দরবারে ...
আমি নিশ্চিত ... বেজে উঠবে শঙ্খ ঘন্টা কাসর, মুখরিত বাতাসে আরশি নগরের সবটুকু অপেক্ষার সুবাস,,
কারা যেন বলে উঠছে
ফিরে আসবে কথা রাখবার জন্যে জানতাম !
আমার সেই প্রথম ফুটে ওঠা
মল্লিকা বলবে তুমিই যে পারো মনে রেখে কথা রাখতে
আমি ক্লান্তি খুলে হেসে বলবো, আমার উপন্যাস যে ফুরোয়নি ... আমায় যে আসতেই হতো।
বোধ থেকে যে আরশি নগরের ছবির ভেতর আমার উপন্যাসের বোধোদয় ,
এমন সুখের উপত্যকায় আমি আমার থেকে বেরিয়ে শব্দের রঙ তুলিতে স্বর্গ মেলে দিতেই
আমার আরশি নগর বলবে
এবার আমি তোমার ভেতর নয়,
তুমি আমাতে বাস করো দীর্ঘ দিবস দীর্ঘ রজনী দীর্ঘ বরস মাস !
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন