শহরের আকাশটাকে আদুরে করে দেয় ,,
হাত বাড়িয়ে মুঠোয় তখন ভাবনায় মেঘ সোহাগী
কোনো নরম পালকের মত নিষ্পাপ ,
তুমি -আমি পথ চলতে চলতে আজ আমরা হয়ে গেছি ....দু ফোঁটা যত্ন তখন বৃষ্টি হয়ে আমাদের মতোই শহরের বিভাজিকা ভিজিয়ে দিয়ে এই মৃত সভ্যতার শহরটাকে স্বর্গ করে দিচ্ছে ।
সব বৃষ্টি মন খারাপের জন্যে ঝরে না ....সব কান্না শোকের কিংবা হারানোরও নয় ,,
জীবনের প্রাপ্তির পূর্ণতায়.. পূর্ন ধারা নামেও কিছু সাংকেতিক বর্ষণ হয় ,,
রং বদলানো দুনিয়াদারী ,বাজারী থেকে কখনো বা আত্মিক হয়ে যায় নাম বিহীন বাঁধন ।
বেশ্যা তখন দুর্গা , বেজন্মা তখন মনুর সন্তান ,
এই কলকাতা তখন শুধুমাত্র ভালবাসা আর উৎসব এর একমাত্র শহর ,,
তবু কিছু মানুষ বাইরে জানলায় চোখ রাখতে রাখতে ভুলে যাওয়া মুসাফির কামরার আতিথেয়তা নিতে পারে না , স্টেশন আসে নেমে যায় ভাগ্য ভবিতব্যের দিকে ,,
ঈশ্বর সকলকেই একবার ভালো থাকার সুযোগ দেয় ....শুধু চিনে নেওয়া সেই সুযোগ...তোমার ইচ্ছা হবে না জরুরী হবে ,,
না চিনতে পারলেই মৃত্যু অবধি ঈশ্বর কে দোষারোপ আর গোলাপি সভ্যতায় কলঙ্ক লেপে
জীবনকে শুধুমাত্র যাপন হিসেবে দেখা ,,
এ কোন কবিতা নয় এ জীবনের আঙ্গিক পটভূমিযে আঁকা সময়ের চলচিত্র মাত্র ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন