শব্দ ও নৈঃশব্দ্যের ভেতর বার বার না চাইতেও আত্মীয়তা গড়ে ওঠে... ।
রঙ করা ছায়া যেন দেওয়াল লিখনের মত চোখের সামনে পথ চলতে ভেসে আসে ...।।
কফিনের দেওয়াল ও ছাদ ফুঁড়ে পোড়া অক্ষরের
আর অস্তিত্ব ছিলো না , ফোঁটা ফোঁটা রক্ত বুক গড়িয়ে মন কে ভেদ করার জেহাদ যেন,,
... পাঁজরের হাড়ে অনুভূত দ্বৈত সত্তার একসাথে...একই ঘরে বাস করে।
পোড়া গন্ধ বয়ে আনে একজন.....
অন্যজন... মৃত্যুহীন তিথি ও নক্ষত্র লিখে ফেলে নতুন জন্ম পঞ্জিকায় ।
.. ভাঙা মেঘ ভেজা ডানায় শেষবার শহরকে বুকে আঁকড়ে জড়িয়ে নেয় ,,
____________________খুব কাছে নিশ্ছিদ্র অন্ধকার আর গুপ্তহত্যা গুলো ভুলতে হবে এবার।
আমার ভিতর কথা ব'লে ওঠে রামকিঙ্করের বালি মাটির জীবন, ,
.. অদৃশ্য অক্ষরে লিখে নেয় গীতবিতানের পাতা থেকে ছাতিম ফুলের গন্ধ,
_________নদীর ভিতর.. কান্নার দাগ রয়ে গেল...
রবি ঠাকুরের একটা উপন্যাস এখনো তাই অসমাপ্ত রয়ে গেলো ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন