দীর্ঘ প্রতীক্ষার চাঁদ ডুবে গেছে বহুদিন হলো ,,
.....নতুন বন্দরে নোঙর ফেলেছে সময়
পাতা ঝরার দিন সরব হয়ে উঠেছে হওয়ায় হাওয়ায়।
শহর আমার সাথে নতুন সাজে সাজতে চাইছে ,,
...নির্ঘুম রাতের জঠর ছিঁড়ে শীতার্ত কুয়াশার কাফন জড়িয়ে- যারা আমাকে মৃত প্রমানিত করেছিল
মৃত্যুর গভীর খাদে তারা সকলে এখন দৃশ্যের বাইরে,......তাদের শেষকৃত সম্পন্ন হয়েছে ভালোভাবেই।
সময়ের প্রেমিকের আঙুল চুঁইয়ে উত্তাপ উস্কে দিচ্ছে ভেতরের প্রাণবন্ত কালো মেয়েটাকে,,
নৈঃশব্দের গঙ্গায় উপচে পড়েছে ঢেউ,
যেন আজলা উজাড় করে ঢেলে দিচ্ছে কেবল আশির্বাদ অলৌকিক ঈশ্বরের ঘর থেকে।
দূরে সরে যাচ্ছে অন্ধকার, দূরে সরে যাচ্ছে কাঠামোর যন্ত্রনা ,
নৈঃরাশ্যের কাজল পরিয়ে দিয়েছিল চোখে- একদিন সবাই.....
সবাই কিছু কিছু যত্নখচিত অবহেলা, অনাদর উজাড় করে এই ঘরে রেখে গেছিলো সময়ের নিরিখে..... ,
পৃথিবীতে স্বপ্নের পাখিগুলো শরাবি হতে হতে হারিয়ে ফেলেছিল বেঁচে থাকার আসল উদ্দেশ্য, ,,
বরফী বাতাস চিরে- বহুদূর দুঃখের দেশ থেকে উড়ে আসা বালুচরী হাঁস এই গঙ্গার বুকে নতুন আলোর সকাল দিয়েছে প্রতিটা ঝড়ের রাতের পর।
....আমি দেখেছি কেমন করে
পৌষ শিশির ভেজা ঠোঁটে, করে ফাল্গুন মাস আনতে পারে সময়ের সফর......।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন