--------------------------
নির্জন দ্বীপে একটা হেরে যাওয়া ঠিকানা
ছাড়া কিছুই নেই,,, ব্রহ্ম মুহুর্তে ঘুম ভেঙে যায় আজকাল,
দেখি এক পাশে সারি সারি শবে আতর মাখানো চলছে ,
আরএক পাশে ঈশ্বর দাড়িয়ে হাতে তার দানপাত্র...
গুঁড়ো গুঁড়ো জীবন সে ছড়িয়ে দিচ্ছে বাতাসে।
. অথচ যে জলসায় শুদ্ধ কোমল সব স্বররাই ভীষণ
রকম প্রানহীন তারাই কেন আসে আমার দ্বীপের বাসিন্দা হতে!
বহু দিন ভেবেছি একটা প্রশ্ন করতেই তো পারি ঈশ্বরকে.... পারিনি,
সামনে দাড়ানো আমিটার কখন যেন বাকরুদ্ধ হয়ে যায় টের পাই না।
ভালো থাকবো বলে একের পর এক কত সংকোচ এলাম
পেরিয়ে... কত আপোশের সুতোয় বেঁধে ফেললাম একের পর এক
গিঁট, তবু পথ এসে মশেছে সেই শ্মশানের আলিংগনে।
সাদা পৃষ্ঠা জুড়ে জং রঙা শব্দের মেলা.. যেন এপিটাফের লেখা।
আসলে নিশ্বাস স্রোত বেপরোয়া হয়েই যায় যত্নে হোক বা অযত্নে,,
রোদ ডোবা বেলায় নগরে নগরে চিরদিন অবহেলায় বয়ে যায়
ঝড়ে পরা ঘাম..., তবু এমনটাও হয় কখনো কখনো বাঁচতে চাওয়া
আকাশে মেঘ জমে আসে..... আসে বুক ফেটে কান্না, গিলে ফেলতে
হয় গোগ্রাসে সব কিছু বিনা দ্বন্দ্বে,,
খানিকটা মৃত মানুষের বিছানার নিচে লুকোনো বাঁচতে চাওয়ার আর্তি খসড়া যেমন।
ভেবে দেখেছি মানুষ সত্যি একা.... হাজার ভিড়ে হাজার ভালোবাসার
সংকির্তনে .. পাশে আছি সাথে আছি এসব কেবল শ্বাপদের মত,
মানুষ মরে গেলে নিমিত্তে সম্পর্ক লাশ হয়ে যায়, কবরের মাটি
মুহুর্তে খুঁড়তে থাকে সমস্ত সম্পর্ক,,
সকলে আছি বা চলেছি শুধুই সমান্তরালে
কেউ কাউকে আদতে সত্যিকারের ছুঁতে পারে না কখনো।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন