---- -----
কেউ তেমন একটা দেখতে চায় না
শহরের বুকের মধ্যে কী গভীর দীর্ঘশ্বাস
ওড়না বিছিয়ে আছে
কোনো বিষন্ন রাগেও এতো
বেদনার সরলিপি নেই হয়তো,
এই শহরের বুক জুড়ে আজকাল শোকের পর
শোক পিঠোপিঠি প্রগাঢ় এপিক হতে ইচ্ছামতির মত,
প্রতিটা গলি বেয়ে চোখের জল নয়তো দীর্ঘশ্বাসের
সুর, মানুষের অন্দরমহলে মনোবেদনার শাখাপ্রশাখা
ট্রাজিকের হাজারো ভিড়,
প্রেমিকের মন নিরন্তর সাবধানি বর্ষাতি খোঁজে তাও ,
কে জানতো ঈশ্বরের রচনায় দীর্ঘশ্বাসভরা কাব্য
এত বেশি, এমন হলুদ, ধূসর আর ঘোলাটে সমস্ত অনুভূতি!
তাই হয়তো একেকটি মানুষের বুকের মধ্যে
গাঢ় দীর্ঘশ্বাস নিয়ে বেড়ায় অথচ বাইরে পোষাকি সুগন্ধির
আবেশ,
কেউ জানে না হঠাৎ একসঙ্গে অসংখ্য দুঃখ আসে
মেঘেদের সাথে শহরের বুকে একটা মেয়ে নিঃশ্ব হয়ে
ভিজতে থাকে যেন শিলালিপি থেকে শোকের
গান....
তারপর হঠাৎ সব দুঃখ ম্লান হয়ে যায়, কৃষ্ণবর্ণ মন
নিজের ভেতোর মেঘ সরিয়ে জোতস্নার হাত
ধরে, ... ….,গল্পেরা এমন তো হয়েই থাকে তবু কেন যে
এ শহরে এত দীর্ঘশ্বাস লুকিয়ে প্রতিটা হৃদয়
ছেড়া বসন্তের পাতা ঝরার মত,
আমিও সামিল হই একই অভিসারে যেন
এ শহর আমার একমাত্র প্রেমিক পুরুষ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন