তোমায় যখন প্রথম দেখেছিলাম তুমি তখন
একজন আদ্যপ্রান্ত নারী পাগল মানুষ ছিলে ।
যে কোন নারীকে তুমি ছিঁড়ে খেতে ভালোবাসতে ,
ভালো কি বাসতে? নাকি নেশা সে কথা তেমন বলতে
পারি না,
একদিন এক দুঃখ বতী মেয়ের শরীর ছিড়তে গিয়ে তোমার
হাত কাঁপতে শুরু করেছিল,
পাথরের বুকে রক্ত
ঝরনা তোমার মন কে প্রথম স্পর্শ করে ,
তোমার বাড়ির পরে তার বাড়ি ছিল, উঠোনে বরাবর
গভীর রাত টাঙ্গানো স্বভাব ছিল তোমার বাড়ীর লোকেদের
তাই প্রথম আলোয় দেখা হয়নি সে চোখ দুখানি,
মেয়েটার বরাতের লেখায় রাতের পর রাত ভিজতে হত
উত্তরের খোলা বারান্দায় কুয়াশা জলে , আরো ছিল তার
গোপন ব্যাথা সেসব কথা মেয়েটি
লিখে রাখত বুকের খাতায় ।
একদিন কবিতার খাতায় তুমি মেয়েটাকে আবিষ্কার করলে
শ্রেষ্ঠ নারী রুপে , তারপর
কি এক জাদু মন্ত্রে
তোমাকে বদলে নিল আদ্যপ্রান্ত, তোমার ছিঁড়ে
ফেলা
স্বভাবে উজান ডিঙি বেয়ে এল স্পর্শ , আস্ত নারী পাগল থেকে
তুমি ভালোবাসার কবি হয়ে উঠলে , যেন নিখাদ সোনা
তারপর বছর গেল সময় গেল তুমি
বদলাতে বদলাতে নিজের
ভেতোর প্রকান্ড ডালপালা বিছিয়ে ক্রমশ বোধি বৃক্ষ হয়ে উঠলে ,
একদিন খূব ভোরে মেয়েটা তোমার
কাঁধে হাত রেখে তোমায়
জাগিয়ে তুলল , তারপর তোমার
হাতের ওপর হাত রেখে বুকের
কাছে টেনে বলল গুছিয়ে
রেখ জীবনখানি এমনি করে ,
এসেছিলাম ঝড়ের সময় , আজ
সব খব শান্ত আজ আসি তাহলে , ,।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন