----------------------------
আমি পারি না রাস্ট্র কিংবা দেশ লিখতে
পারি না পরম্পরা বরাবর সভ্যতা লিখে যেতে,
রাজা রাজনীতি আমি বুঝিইনি কখনো, চানক্য কেও
চিনিনা , আমি কখনো দেখিনি নীলনদ, স্নান করিনি
শিতলাক্ষের জলে , পদ্মার জলে রুপোলী চাঁদ আমার
দেখা হয়নি, আমি নিজেকে একটা দ্বীপের বাসিন্দা করে
আজীবন গুছিয়ে রেখেছি, আড়াল করেছি সমস্ত মানচিত্রের
জাল থেকে আমার আমি আর দ্বীপটাকে, ,
আমি যে চিরকাল বোকা হয়ে রয়ে গেছি
মানুষের মুখ আর মন আলাদা করে একই সাথে পড়তে শিখিনি,
তাই আমার মতো যারা তাদের সুখ নেই তারা সব দিন হেরে যাওয়ার
দলে হারিয়ে যাওয়ার দলে।
আমি নদী মানে বুঝি কুলকুল শব্দে বয়ে যাওয়া
অথচ ওরা বলে নদী মানে ভেতোরে জমানো আর
.... বয়ে যাওয়া কেবল বাইরে টুকু ,
আমি সভ্যতা মানে চিনি এই দ্বীপের
গাছ মাটি ঝিল প্রজাপতি কাঁচপোকা, আর ওরা সভ্যতায়
জুড়তে থাকে অজস্র অচেনা বাস্তুসাপ, আমায় ওরা
জাতে নেয় না... ধুস আমিও তো মানুষ ছাড়া আর
কোনো জাত বুঝি না,
ভালবাসা মানে আমি আদ্যোপান্ত তোমায় চিনি তোমায়
সাজাই মনের রঙে, কখনো তোমায় গাছের মত সাজিয়ে
আঁকড়ে থাকি কখনো নদী এঁকে তোমাতে গা ধুয়ে নি
কখনোকখনো বহুদিন পরে আমার হাতের বেষ্টনীর ভেতোর
তোমায় নেওয়ার চেষ্টা করে পরম তৃপ্তিতে বলি "কত্তদিন
তোমায় জড়াইনি", আমার তৃপ্ততা চোখ ঠোঁট বেয়ে বুক থেকে
সমস্ত শরীর শীতল করে দেয় অথচ আমার দেওয়ার তেমন
সামান্য কিছুমাত্র থাকে না, ওরা ভালোবাসা মানে দিস্তা দিস্তা
দেওয়া নেওয়ার চুক্তি পত্রে সাক্ষর করতে
থাকে গরম আলোচনা ওদের জীবনভোর....
বলে এসব শেষ বয়সের
পুঁজি তাই প্রথম থেকে বুঝে আর বোঝাপড়া
করে নিতে হয়,৷ আমি মনে মনে হাসি...,
ওদের বয়স বাড়ে বৃদ্ধ হয় হিসেবের খাতা ফেলে রেখে
চলে যেতে হয় শোক বুকে নিয়ে, আমি বোকার মত
সময়ের ধুলো বালিতে সময়ে মিশে থাকি
মৃত্যু আসে না আমার,, আমার পুঁজি বলতে ওই
দ্বীপটা। আমায় কখনো কারো কাছে গচ্ছিত রাখতে
হয় না শুধু আমরা আমাদের রুপান্তরের কালে একে
অপরের কাছে কথা দিই আর প্রতিবার ফিরে এসে
দ্বীপ আর আমি দুজনেই কথা রাখি।
ক্যা বাত,গভীর ভীষণ
উত্তরমুছুন