----------------------------
তোমার শব্দ জব্দে আমি হন্যে হয়ে খুঁজছি
একটু সবুজ ছায়া, খুঁজছি সামান্য ত্রান,
খুঁজছি আমার রাস্ট্র, একদিন ছিল যা কাব্যের মত,,
তবু মৃত্যু নগরীতে গোপনে
বাড়তে দিই ডালে ভাতে বাঁচতে চাওয়া ইচ্ছা,
ফুরিয়ে যেতে বড় ভয় হয় আমার।
চোখ বন্ধ করলেই অন্ধকার সিঁড়ি ঠেলে
এখন শুধু মৃত্যু দেখতে পাই আমি, দেখতে
পাই আমার দুধে ভাতের সন্তানের মুখে এক
ঝাঁক মাছি ভনভন করছে... ভয় পেয়ে রাত পাহারায়
কাটাই ২৪×৭....,,
তবু জানি তোমার সুখ এখনো কিছুটা বাকি
মাটিতে এখনো পা রাখোনি সেভাবে, তাই
মাঝে মাঝেই খবরাখবর জানতে আগ্রহী হয়ে ওঠো,
আমার পোড়া পৃথিবীতে তুমি সন্তপর্ণে কড়া নেড়ে
যাও।
রোজ ভাবি নিজেকে নিংড়ে কিছু একটা জুতসই
সাজিয়ে দেবো তোমার থালায়,
অথচ প্রতিদিন যাকিছু জুটিয়ে ফেলি আজটুকুর
জন্যে তাদের টুকরো টুকরো করে বাঁচিয়ে রাখি
আমার সন্তান, আমার বিন্নি ধান, আমার রাস্তার
খেউটে কুকুরগুলোকে .... বাঁচে না কিছুই,,,
ভেবে দেখেছি বাকি সব মরে গেলেও চোখের জল
শুকোবে ঠিক সময় মেনে, তাই রোজ নিজের
এক চিলতে আকাশে মেলে দিই গরাদ শোক,
বাকি নিশ্বাস উপুড় করে দিই এই দেশ, এই রাস্ট্র,
এই খিদে, এই আর্তনাদে.... বুকের ভেতোর মুচড়ে
ওঠে মায়ের কান্না এসব কখন যেন আমার সন্তান হয়ে ওঠে।
আর সেই মুহুর্তে আমার পেটে লাথি মারা খিদেটা
শান্ত হয়ে যায়... বুঝি বাকি বকেয়া থেকে যাওয়াটুকুর
সাথে এটাও এক ধরনের আপোষ,
এই পৃথিবীর কিছুই কোনো দিনও বদলাবে না, বদলানো
যায় না, তাই আজকের পর জানতে চেয়েও না
কেমন আছি, কেমন আছে আমার পৃথিবী ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন