পালিয়ে যাচ্ছি মনে হয়, .....মনে হয় পালাতে পালাতে কোনো পাতাল পুরীর কোনো অন্ধকার কোনায় আমার শব্দরা কবরিত হয়ে গেছে ।
বহুদিন হল উত্তরের বারান্দা আমি ছেড়ে এসেছি ...
ছেড়ে এসেছি অনেক কিছু প্রিয় বিষয়-আশয় ,
অন্ধকারের ভেতর আলোর অক্ষর খুঁড়ছি ....চোখ
গেঁথে দিয়েছি নিকষ অন্ধকারের ওপারে , তবু আলো চুইয়ে পড়ছে কই ! কালীপার্কের এই আকাশলীনায় ।
কলকাতা এত অন্ধকার আগে কখনো দেখিনি ...
আমার প্রিয় প্রতিটা কবিতা থেকে আলো নিংড়ে নিয়েও এই কলকাতা একটাও আলো জ্বলতে পারেনি ।
অন্ধকার ভয় পাই বলেই পালাতে পালাতে শহরের নিয়ন বাতি গুলোর রোশনাই উপড়ে রাখছি বুকপকেটে ।
সেদিন অমিতদা তার দোকান থেকে আলো কিনতে বলেছিল ....বলেছিল বোন দীপাবলী র মোমবাতি নিয়ে যাও অন্ধকার পুড়িয়ে দেবে এই মোম ।
অমিতদাকে বলতে পারিনি ....আমার বুকে ওই মোমের থেকেও অনেক বেশি আগুন ...তবু অন্ধকার আমায় ধাওয়া করে বেড়ায় ।
অন্ধকার যেন এক রাক্ষস , আমার সমস্ত আলো, আমার সমস্ত বেঁচে থাকা,.. খেয়ে ফেলেও ক্লান্ত নয় সে ,
আরো আরো তার খিদে , এযাবৎ পঞ্চাশটা কবিতার দেহ সে আত্মসাৎ করেছে কিংবা হিসেবের বাইরে আরো অনেক হতে পারে , অথচ রাক্ষসের খিদে ততোধিক বেড়েই চলেছে ।
বিহুদিন তাই আমি নিঃস্ব কবিতাহীন ,
একদিন ঘুরে দাঁড়াবো কিনা জানি না ,একদিন ওই রাক্ষস এর কাছ থেকে পাওনা আদায় করতে পারবো কিনা জানি না ,
তবে একদিন ঠিক পালাতে পালাতে অন্ধকার ঠেলে আলোর অক্ষরদের খুঁজে নেবো ,
আমার নাম দীপাবলী ....... ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন