হিসেব নেই এমন অজস্র বেঁচে থাকার নামে শুধুমাত্র নিজের মৃতদেহ বয়ে ফেরা ।
সময়ের নুড়ি অসীমে দিকে ছুঁড়ে দিতে দিতে একটার পর একটা ইচ্ছাদের থেকে সমঝোতার
বিচ্ছেদে অবাধ্য মন কে নোনা জলে স্নান সারতে হয় ,
একটা মাত্র জীবন তবু বাঁচার জন্য সময় কম কিংবা সামাজিক সিস্টেমে মেহেন্দী পাতা পিষে নিয়ে যন্ত্রণার রঙ্গে চেহারা রাঙিয়ে নিয়ে সভ্যতার প্রথম সারিতে যাপন ক্লান্ত পায়ে হাঁটতে থাকে ।
সমাজ কি মানুষ এর আসল বেঁচে থাকার উপাদান !!
....তাহলে নাকে অক্সিজেন এর মাস্ক পরে সাতমহলা হাসপাতালে পড়ে থাকা দেহ থেকে পাখিটা মুক্তি খোঁজে কেনো ?
কেনো সোনাঝুড়ির বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে জাপটে আঁকড়ে সামান্য বেঁচে থাকা পুষিয়ে নিতে হয় ?
কেনো বাঁচার অধিকার খুঁজতে খোয়াই এর প্রবাহ সাক্ষী থাকে গোপন পারিজাতীয় অনিয়ম নামক সময়ের চাদরে ? ......জানি না .....জানি না পার্থ
এমন কত প্রশ্ন তার চিহ্ন ভুলতে চায় ,
জানা যায় না এমন কত অনিয়ম দ্বীধাহীন হতে চায় ।
জন্ম আর মৃত্যুর মাঝে ঠিক কতটা আকাশ পাওয়া যায় আর কতটা খাঁচা জানলে জানা হতো অনন্ত উপলব্ধি থেকে ঝরে পড়া আলোর একটুকরো রশ্মি কে ... ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন