শরীরের তিন ভাগ এখন ক্ষত ও একভাগ বাকশক্তিহীন লোনাজলে ভরা।
সমুদ্রের দিগন্তরেখার কাছে এককালে সূর্য উঠতো ,
এ বিকেলে সেসব দিনগুলো আলোধোয়া স্থবির বিস্ময়।
অজ্ঞাতবাসের দিন বদলে ফেলেছি এভাবে....তার খুব কাছে থেকেও আর নেই কোথাও ,,
তবু ভালোবাসার শহরে ... সাদাকালো বিজ্ঞাপনে ছিপ-নৌকোর চলাফেরা চলে রোজ রোজ ...।
কড়িকাঠের নিপুণ অন্ধকার ও বেশকিছু উদ্ভট চুক্তি লিখে রাখে প্রেমিক প্রেমিকা।
নক্ষত্র সাজিয়ে বজ্রাহত বুকের ডালে ফুল পাতা ঝরে যায় নিয়ম মেনে।
অজান্তেই একদিন মার্জিত অস্ত্রাগার ক্রমশ সেপাই শূন্য হয়ে পড়ে,
যেন জীবন একটা চড়ুইভাতি
যেন পাঁজর ভেঙে গেছে কোনো আকস্মিক দুর্যোগে।
.. বানানো ভালোবাসার ঘায়ে পুঁজ রক্তে লেখা নোনা চিঠি ডাকবাক্স নেয়না জেনেও
. . মাধ্যাকর্ষণের টানে বৃথা প্রচেষ্টা যেন বদ অভ্যাস।
আজকাল মেঘলা দুপুরের খোঁজে কোথাও যেতে হয় না সেভাবে ,কোনো মন খারাপের কিংবা একলা বিকেলে রাখি না কবিতার খাতায় ,
সব অস্ত্র এখন রেখে এসেছি অলস প্রবাহের মায়া বিহীন কালাপানির দেশে
রাতের ঘুমচোখে এঁকে গেছি যুদ্ধ শেষের ক্লান্ত ছবি ।
আঙুলে ও ঠোঁটে জ্যামিতিক চিহ্নেরা সজনে গাছের ফিসফিসে আলাপে বুঝিয়ে দেয় আমার শিকড় হারিয়ে ফেলার অসহ্য যন্ত্রণা আমাকে কুঁকড়ে দিতে পারে না ... ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন