সৎকারে আগুন দরকার হয় জলের আগে ,
পটভূমিতে কিলবিল করছে কেঁচোর যাপন ....
রেংতে রেংতে ছুঁয়ে ফেলা মাইলস্টোনে গঙ্গা লেখা নিমন্ত্রণ পত্র সময়ের ডাকপিয়ন দিয়ে যায় ,,
কাঁচের সংলাপ লেখা কাব্যগ্রন্থ থেকে প্রতিটি শব্দ ভেঙে যাওয়া দেখতে পায় শুধু ঈশ্বর ,
নিয়মের কাঠপুতুলের মাথার ঝুটিতে সুতো বেঁধে হাতি ঘোড়া পালকি জয় কানাইয়া লালকি ,,
আমি জীবন মানে শিরদাঁড়ায় ভর বুঝি .....বুঝি নিজের জমি বর্গবিহীন চাষ , তবু বারংবার শিমুল তুলোর নীচে সম্পর্কের বীজ পড়ে থাকে ঘুমন্ত মাথা বুকে আগলে ,
অথচ হেমন্তের ভেতর লুকিয়ে থাকা একটা না হওয়া সংসার আজন্ম অতৃপ্ত রয়ে যায় ,
মৃত্যু আসে দু ভাগে ................,
একটা অর্বান কাব্যিক সন্ধ্যায় এক কাপ চায়ে চিনি গুলে নিতে নিতে নিজের অজান্তে সময়ের শরীরে মধুমেহ রোগ ধরা পড়ে ,
ভালোবাসা ছেড়ে চলে আসতেই হয় পুরোনো অভ্যাসের মতো ,
সিলিংফ্যানে কবেকার মন খারাপ ইয়াদ করিয়ে দেয় .....কেউ কখনও বলেছিল " আ-চলকে তুঝে ম্যায় লেকে চলু এক এয়সে গগন কে তলে ....যাহা গমভি না হো ...আঁসুভি না হো ..বাস প্যেয়ার হি প্যেয়ার'...... ,, হাহাহাহা বোকার হদ্দ
একটি হাসির জন্য আমরা কান্নায় বেঁচে থাকি. সারাটা জীবন ..... একটু ভালোবাসার নামে দুঃখ কিনে নিই সমস্ত জীবনের পুঁজির বিনিময়ে ।
ভুলে যাই এই সব লেনাদেনা আসলে শুধুমাত্র কাঁচের সংলাপ লেখা ঠুনকো কাব্যগ্রন্থ ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন