একলা এক পেয়ালা নিঃসঙ্গতা নিয়ে অঘ্রানের ভেতর..স্মৃতির পুরোনো খসড়া খুলে বসতেই..
সেখানে একপা দু পা করে কোনো এক আগন্তুক শরীরের অস্তিত্ব ফুটে ওঠে...
অজানা অথচ খুব চেনা কোন নদীর পাশে..ঘাসের ওপর চিবুক রেখে
আমাদের পরিচয়র ভূমিকা পার হই, ....ভালোলাগার অমোঘ 'আলো-মহলায়' প্রবেশ করি আলতা পায়ের ছাপ রেখে...
কাছাকাছি হওয়ায় দুটো লাল হলুদ প্রজাপতির
পরস্পরকে জড়িয়ে ধরার আপ্রাণ খুঁনসুটি দেখতে দেখতে.. আমিও অনেকদিন পর গুনগুন করে উঠি
"সখী ভালোবাসা কারে কয় ........"
হঠাৎ বেসামাল আমাদের হাত জড়িয়ে যায় আনমনা ভরসায়.....নতুন করে।
আমি সুখের অনুভূতি লুকিয়ে
মুখ তুলে তোমার নীল পাঞ্জাবির সাদা বোতামের ফাঁকে নীল সুতোয় চোখ রাখি যত্ন নিয়ে...
আমার এক হাত কাঁচের চুড়ি শব্দ ওই বুকের দিকে এগিয়ে যায় ....
ঠোঁটে আলতা মায়া নিয়ে বলি ..
" তোমার বোতামটা ছিড়ে গেছে..একমিনিট দাঁড়াও..
আমি ব্যাগ থেকে সুতো বের করে শেলাই করে দিই...
তা না হলে বোতামটা হারাবে যে"..!
আবরণের শরীর সারাই শেষে মুখ এগিয়ে ঠোঁটের আড়ালে দাঁতে সুতো কেটে সেতু পারাপার করে নিই...
ও বুকের আমার উষ্ণ নিঃশ্বাস..
আমি ভালোবাসার পাতায় চোখ রাখি...যত্নে ডুবে গিয়ে,
গল্পটার গভীর রাতের জন্য মরিয়া হয়ে আমি অপেক্ষা করে..
ক্রমশ সময়ের পাতা উলটে যাই... লিখে ফেলি নতুন উপন্যাসের পর্যায়ক্রম...,
হঠাৎ মনে পড়ে যায়..
সেদিন এক নিঃস্ব দুপুরে একলা আমিতে..
আমার মন বলছিলো..
" এবার তোমার নিজেকে ভালোবাসা সময় এসেছে"..!
শব্দহীন প্রচ্ছদে এবার তোমার নিজের কিছু স্বাক্ষর খুব জরুরী ............।
#সৌজন্যের ইতিহাস
#সই
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন