এই পৃথিবীতে অজস্র গোপন মৃত্যু আছে ...আছে গোপনে পুড়তে থাকা মানুষের মন , সব টুকু ওই খাতায় তুলে রাখতেই হবে তার কোনো দরকার নেই , তোমার সতেরো দিনের প্রেম ভেঙে গেছে বলে রোজ গালাগালি দিচ্ছ ,
আমার সাত বছরের ভালো -বাসা চুরি হয়ে গেছে আমি কাকে নালিশ করবো এই শূন্য হাড় পাঁজরে ঘরকন্না ভাঙার !
শুধু জানি যে চুরি গেছে তা আমার ছিলো না কখনো ...
শুধু বুঝি আমার ঘর যে ভালোবাসা হীন করেছে তার ঘরেও চুরি অনিবার্য ....
শুধু জানি সবার সামনে সময় একদিন নতজানু হয় ....।
কখনোই কোনো নালিশ নেই কারো ওপর ....মা জন্মের কয়েকদিন পর রাস্তায় ফেলে দিয়েছিল, নালিশ কিংবা কোনো প্রশ্ন করিনি আজও ,
বাবা কখনো অন্যদের মত স্কুলে নিয়ে যায়নি নালিশ কিংবা প্রশ্ন করিনি কেনো !
প্রিয়তোষ উচ্চমাধ্যমিক রেজাল্ট এর আগের রাতে বুকের কাছে আমার মুখটা ওর দুহাতে নিয়ে বলেছিলো আমি আছি তো ভয় কিসের ....তারপর কত রেজাল্ট বেরোলো প্রিয়তোষ হারিয়ে গেছে অজানা ভয়ে কিংবা আমাকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছে অসম্ভব ভয়ের দিকে,,
আজও প্রিয়তোষ কে নালিশ কিংবা প্রশ্ন করিনি কেনো এমন করে পুজোর ফুল পায়ে মারালে !
.....শেষমেশ ঋষিকেশ বলেছিলো সাথে থাকা পাশে থাকা এক নয় ....বলেছিলো আমি তার দেখা নারী চরিত্রে শ্রেষ্ঠ,,
,বলেছিলো একদিন পাহাড়ে ঝর্ণার গায়ে ঘর বাঁধবো,, বলেছিলো আমার যন্ত্রনায় পুড়িয়ে ফেলা ২০৬টা হাড়ের আড়ালে ধুকপুক টুকু বাঁচিয়ে রাখতে , বাকি রাত ফুরোনো একটা নতুন সকাল তার আমার হবেই বলেছিলো ।
একদিন ঋষিকেশ নিজেকে হারিয়ে ফেললো গোধূলির শেষ বিকেলের রাঙা রঙ্গে পলাশ খোঁপার বাঁধিনে র আড়ালে ,,,,,
আমি বুঝেছিলাম যা কাউকে বুঝতে দিইনি সে সব না বলা যন্ত্রনা ,,, আমি দেখেছিলাম যা কাউকে দেখতে পারলে নষ্ট প্রেম হতো এ উপন্যাস,
পারিনি বলতে ,পারিনি দেখতে ,পারিনি অন্ততঃ ঠাটিয়ে একটা চড় .....তুলতে,, ,
আর তাই আমার কোনো অবাধ্য প্রশ্ন নেই নালিশ নেই .....পৃথিবী যে ভাবে যেমন আছে সেটাই ঠিক .....
আমার কোনো নালিশ নেই .....চাওয়া নেই ,
নেই একটাও সমুদ্রে স্নান সারা নিঃস্ব কবিতা ,,,
মা , বাবা ,প্রিয়তোষ ,ঋষিকেশ ,পারলে আমার হাতের রেখা নিতে পারো , আরও উপহার হয়ে পড়ুক আমার চিতার ছাই তোমাদের দুয়ারে যে কোনো ভালোবাসার দিনে ,,
আমার যে নালিশ কিংবা যন্ত্রনা কিছু নেই । .....ভেবে দেখো এই স্বার্থের দুনিয়ায় এমন করে আর কে নিঃস্ব হবার ব্যর্থ হবার জন্য মরিয়া হযে চাইবে !!
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন