বাঘনখের আঁচড়ের মতো আমাদের অভিযোগ থেকে রক্ত ধুঁয়ে যাচ্ছে ... ,,
স্ফুলিঙ্গতন্ত্রের মায়া আর নেই তেমন ।
পরিচয় গোপন রেখে আলো রেখে গেছি বহুবার তোমার শ্বাসকষ্ট হবে ভেবে।
শিমুল ফুলের রঙ ও অচেনা গন্ধ... বিদ্যুতরেখা আর পেনসিলে আঁকা মেঘের শরীর এসব এখন আর আমাদের নয় ।
... মুঠো মুঠো বাতাসের বিষ কোনো একদিনের আদুরে নাকছাবি আর ছিঁড়ে ফেলা গীতবিতানের পাতার পাশে বিভাজিত ভুল গুলো বড্ড দগদগে ঘা হয়ে গেছে ,,
.. উপশিরায় রক্ত ছাড়াও গোপন অনেক প্রবাহ থাকে যা বাইরে থেকে দেখা বা বোঝা যায় না কখনো।
... অথচ বৃষ্টি থেমে গেছে ভেবে তুমি দীর্ঘ অন্তর্জলী আনন্দে বিভোর হয়ে গেছ।
একা মাস্তুলে জমে থাকা অভিমান খুঁজতে খুঁজতে রাত ভোর হয়ে গেছে সে কথা আমরা খেয়াল করিনি কেউ ,,
নদীর দু-পাড়ে শহুরে স্যুররিয়ালিস্ট ছবির ফ্রেমে পায়ের নখ সাজিয়ে রাখা থরে থরে ।
আমাদের শরীরের সুগন্ধ গোলার্ধ থেকে গোলার্ধে শিকড় ছড়িয়ে স্ফটিক-সন্ধানে বেড়িয়ে পড়ে কস্তূরী ঘ্রাণের মতোই।
ভূর্জপত্রে ঠোঁট ছুঁইয়ে গন্ধ মেখে নেয় জিভ। তারপর অন্তর্বাস খুলে ক্লোরোফিল খুঁজে দেখা...,,, জলরঙে জীবাশ্মের ভার্জিন হিসেবনিকেশ...করে ফেলে তুমি দুচার লাইন লিখে ফেলার চেষ্টায় রাত থেকে ভোর পেরিয়ে যাও।
খোলস ফেলে রেখে ফিসফিসে হৃৎপিণ্ড পুড়িয়ে জৈব খামার থেকে পুরোনো বীজ মাথার খোলস।ছেড়ে আকাশের দিকে হাত বাড়িয়েই ফেলে ।
ডাকবাংলোর দেওয়াল আমাদের বোবা ব্যর্থতা
বয়ে বেড়াবে জেনেও আমরা কেউ স্মৃতি মুছে ফেলতে পারলাম না ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন