চুক্তিতে নাব্যতার সর্ত ছিলনা বলেই এতো গর্জন করে তুমি বৃষ্টি আনার অহংকার রাখতে পেরেছো ।
তুমি কিছুটা চঞ্চল হতেই পারো, সবুজ জমিনে হতে পারো তছনছিয়া পালুইচড়া,
কিছু অন্দরও হয়তো দখলেও রাখতে পারো ,,
তবু তোমার সমস্ত বই, দ্যাখো পুড়ে গেলো আজ একটাও প্রতিবাদ না করেই।
তোমার পুঁতে দেওয়া বীজ থেকে হাজার হাজার বিষবৃক্ষ হওয়ায় মিশিয়ে দিচ্ছে আগন্তুক ধ্বংসের হওয়া ।
জানি আমার সাক্ষীর আজ আর কোন দাম নেই,
তোমার হাতের রেখাগুলো শুধু আজও আমার দখলে রয়ে গেছে , প্রাচীন গাছ গুলোর থেকে
দু’একটি পাতা খসানো ছাড়া... এইসব সামান্য অঙ্কের হিসেব যে সহজে মেলেনা ....সে কথা যেদিন বুঝবে সে দিন আট বছরের সন্তানের শব
একটা গোটা সাদা পাতা কে অন্ধকার করে দেবে ।
পোকাকাটা পুথিপত্র মেহফেজখানায় জমিয়ে রেখেছেন বিধাতা পুরুষ ,
আরব... মহানাগরিক অবক্ষয় তোমার কপালের চারইঞ্চি জমিতে কুমকুম দিয়ে তিলক কেটে দিয়েছে মহাকালের স্রষ্টা ।
আশি লক্ষ চোখ এক মাত্র তোমার কিংবা তোমার মত যারা তাদের ঝলসে দিচ্ছে খুব নীরবে ।
আমিও সেই কবে থেকে দাঁড়িয়ে থাকি স্তব্ধ পাথরে ওপর,
তুমি আজ পর্যন্ত পঞ্চাশ বার পা রাখলে ছাই-মাখা পথে...,,,
তবু বুঝলে না সামান্য কথাটা...." মানুষ কে কোথায় থামতে হয় সেটা তার নিজের জানা উচিৎ"। '
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন