মহাপ্রলয়ের ভেতর আমি দীর্ঘ পথ হাঁটছি
এক মহাপ্রলয়ের মধ্যি খানে কোনো সকালে আমার ঘুম ভেঙে গেছে।
তবু আমি কখনো স্পষ্ট দেখতে পাই না আমার পুঁতে রাখা জন্মদের।
ভিক্ষা চাইতে বেরোই অদৃশ্য রঙের সময় কে ঝুলিতে নিয়ে ।
সমস্ত বকেয়া পাওনা সাঁতার কাটতে কাটতে উৎরে যাবে একদিন জানি — তবু
আগের প্রজন্মের কাছে জানতে ইচ্ছা হয় কি ছিল সে পাপ যার জন্য ভগ্নাংশে জীবন
সম্পর্কের কাটাকুটি খেলায় আমি মঞ্চস্থ হয়েছি।
আমার পৃথিবী কেনই বা আটলান্টা শহরে বর্ষা-নক্ষত্রের জল কুড়োয় প্রতি নিয়ত ।
কেনই বা মাথায় হামাগুড়ি দেয় বটের শেকড়ের মত ব্যর্থতাগুলো ?
খিলখিলিয়ে হেসে ওঠে আঁকড়ে থাকা সম্পর্কের ভাঙতে থাকা কারণ গুলো ?
শ্বাসকষ্টে হাততালি মারে সাম্রাজ্যবাদ প্রেম
হয়ত কোনদিন কবিতাও মুছে যাবে আমারই মত গোপনে।
অনেকবার ঝরে যাওয়ার পর
নিচু অন্ধকারে তৃতীয় বিশ্বের অভাবের সারিতে আমি দাঁড়িয়ে থাকবো ছবিতে ।
সবাই চার অক্ষর জীবন কাটায় সাবধানী হয়ে ,
আমার সেরকমটা আজন্ম পাওয়া হয় নি ,,
প্রিয় মানুষের শরীরে ঘন হয় রক্তের যৌনতা,
তাই এক জীবনে যেখানে যতদূর হেঁটেছি ততদূর
লুডোর ছক্কাবন্দী পরিবর্তন এসে হাজির হয়েছে,,
এখন আমার অজস্র ঘুমের ভিতর ক্রমশ ঘুমিয়ে পড়ে এ শহরের সভ্যতা।
তবু আমার চোখে অজস্র ঘুম লেগে থাকে দিনরাত্রি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন