যেসব সম্পর্কের নাম ছিলো না দেহের সন্ধিস্থানে তারা আগাছা হয়ে জন্মায়... বেড়েও ওঠে যত্ন ছাড়াই।
নিরুত্তাপ ব্রেল-এ লেখা শহরে আসছে উৎসবের বিজ্ঞাপন ,,... মৃদু অন্ধকারে হইহই সঙ্গম সেরে নাও ঠিক উৎসবের আগে এসব কথা জানি ... ।
আগুনে পুড়ছে তোমাকে উপহার দেওয়া স্প্যানিশ-গিটার... ,
টুংটাং শব্দে ছিঁড়ে যাচ্ছে তার... দলা পাকিয়ে নোনতা... সূচবেঁধা শরীরে তোমার দেওয়া জখম গুলোও এবার পুড়ছে ... ।
মেঘ ছিঁড়ে নড়বড়ে কাঠের সাঁকোর কাছে একটা ট্রেন এসে থামল ,,
ট্রেন থেকে নেমে আসছে একে একে তোমার গোপন পঞ্চাশটা পাপ ।
... গনগনে হাপরের মতো চওড়া বুক..এখন . হানাবাড়ির মত দেখতে লাগে ,
ফাঁকফোকর গলে কয়েকটা বাদুর মৃত্যুঝাঁপ দিচ্ছে তোমার ভেতর।
তোমার বাড়ির সামনের গাছের ডালে ঝুলে থাকা মৌচাকে স্বপ্ন আর ফিসফিসে হাতছানি ভরে দিচ্ছে ভেজা পাতারা।
ভিজে পায়রার বকুম বকুম আর কাগজফুলের নড়াচড়া... সারা শরীরে লেপটে আছে অকপট অপূর্ণতা ভরে কেবল যন্ত্রনা ...
শ্মশানের হিমগন্ধের মতো তোমার শরীরের গন্ধ ...আজকাল।
গত বছর এই সময়টায় ... বর্ণময় আধিপত্যে আমি ল্যাপটপে একটা মেঘ ভরে বৃষ্টি রেখেছিলাম তোমার স্ক্রিন সেভারে ।
হঠাৎ মুঠোফোনের শব্দ নিঃসঙ্গতা কাটিয়ে... ভিজে জবজবে হয়ে দাঁড়িয়ে একটা পরিচিত মুখ স্ক্রীনে ভেসে উঠেছিল .... বাইরে তখন ভীষণ জোরে বাজ পড়ছিল ,
হয়তো সিদিনই অসম্ভব কোনো অকাল মৃত্যুর খবর দিয়েছিল প্রকৃতি।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন