সোমবার, ২ আগস্ট, ২০২১

শেষ ফুটনোট

কখনও ভেবে দেখিনি... ভুল  গুলোর হিসেব । তবু  অ্যাসট্রের ভেতর পুড়তে থাকা  হাড় জমলে হিসেবের মিছিল শহরের রাস্তায় অনেকখানি  তাৎপর্য এনে দেয়  বুঝতে পারি ... 
সমুদ্র হ'‌য়ে যায় সংশোধনের ধারাপাতের সংখ্যা । শুধু পক্ষ থেকে পক্ষান্তরে জমিয়ে গিয়েছি অযথা অপেক্ষার  পালক... 
হাঁড়িয়ার মতো কিছু অপরিণত ফটোগ্রাফ... তোলা থাকে ক্রুশকাঠ রাখা গুম ঘরে ।

এ শহরে  হাঁটতে গেলে দু-পায়ে জড়িয়ে যায়   ড্যানিয়েল এর উপচে পড়া প্রেম  ... হাতের উপর হাত টেনে নিয়ে সমস্ত চুপ কথার জট খুলতে চায় ড্যানিয়েল ....আমি তখন আমার পুষে রাখা দুঃখদের সাথে না-ইনসাফি করে  ফেলি।

আমার   রঙচটা গুমঘরে  অদৃশ্য আঙুলের ছায়া নেমে আসে দৃশ্যপটের মাঝ বরাবর  , যেন পুরোনো ঘা আবরণ সরিয়ে ফিনকি দিয়ে পুঁজ রক্তের অগ্নুৎপাত... ।
বৈজ্ঞানিক দাড়িপাল্লায় নিজেকে বসালে...  লাল কাঁকড়াদের স্তোত্রপাঠ শুনি সাউন্ড অফ সাইলেন্স এর মত.. ।

নখের আঁচড় দিয়ে   ড্যানিয়েলকে বলি  নতুন গন্ধ লিখতে  পুরোনো   শরীরটায়,,.

ক্রমশ খসে পড়ে আমার শরীর থেকে তার দেওয়া আমার  এক একটা অঙ্গ ... ।
 এমনকি লিভারে লিখে রাখা শেষ ফুটনোট-টাও...
সেদিন খসে পড়েছে ঝড়ের সময় ।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন