কখনও ভেবে দেখিনি... ভুল গুলোর হিসেব । তবু অ্যাসট্রের ভেতর পুড়তে থাকা হাড় জমলে হিসেবের মিছিল শহরের রাস্তায় অনেকখানি তাৎপর্য এনে দেয় বুঝতে পারি ...
সমুদ্র হ'য়ে যায় সংশোধনের ধারাপাতের সংখ্যা । শুধু পক্ষ থেকে পক্ষান্তরে জমিয়ে গিয়েছি অযথা অপেক্ষার পালক...
হাঁড়িয়ার মতো কিছু অপরিণত ফটোগ্রাফ... তোলা থাকে ক্রুশকাঠ রাখা গুম ঘরে ।
এ শহরে হাঁটতে গেলে দু-পায়ে জড়িয়ে যায় ড্যানিয়েল এর উপচে পড়া প্রেম ... হাতের উপর হাত টেনে নিয়ে সমস্ত চুপ কথার জট খুলতে চায় ড্যানিয়েল ....আমি তখন আমার পুষে রাখা দুঃখদের সাথে না-ইনসাফি করে ফেলি।
আমার রঙচটা গুমঘরে অদৃশ্য আঙুলের ছায়া নেমে আসে দৃশ্যপটের মাঝ বরাবর , যেন পুরোনো ঘা আবরণ সরিয়ে ফিনকি দিয়ে পুঁজ রক্তের অগ্নুৎপাত... ।
বৈজ্ঞানিক দাড়িপাল্লায় নিজেকে বসালে... লাল কাঁকড়াদের স্তোত্রপাঠ শুনি সাউন্ড অফ সাইলেন্স এর মত.. ।
নখের আঁচড় দিয়ে ড্যানিয়েলকে বলি নতুন গন্ধ লিখতে পুরোনো শরীরটায়,,.
ক্রমশ খসে পড়ে আমার শরীর থেকে তার দেওয়া আমার এক একটা অঙ্গ ... ।
এমনকি লিভারে লিখে রাখা শেষ ফুটনোট-টাও...
সেদিন খসে পড়েছে ঝড়ের সময় ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন