সবটুকু জমিন বিছিয়ে দিয়েলেও , ... সমস্ত অঙ্গীকার যেন নিমেষে তুচ্ছ , , শুধুমাত্র তাকে প্রেমিক ভাবতে পারিনি ...একটা গোটা পৃথিবী আখ্যান বলে জেনেছি ,
তবু কি ভীষণ ভাবে আমাকে আমারই কাছে হেরে যেতে হল ...কি ভীষন ভাবে ভালোবাসা বিকিয়ে গেল বেশ্যালয়ে ,
কি ভীষন অপমান আমার বরাদ্দে রেখে জিতে গেল অহিংকারী রাজার ....
নিন্দিনী কে বুঝলো একমাত্র বিশু পাগলা ...
আর রাজা বুঝলো তার ..…....!!
অথচ আমি ভাবছিলাম এবার হয়তো থামার পালা ,ভাবছিলাম যত্নে স্নেহে ভালোবাসায় ...জন্ম ক্ষত গুলো হয়তো পারবো শুশ্রূষা দিতে ।
কি ভীষণ রকম ভ্রমে আমি সময়কে দশ পাক প্রদক্ষিণ করেছি ...রোদ্দুর ,ঝড়, বৃষ্টি , সমাজের রক্তচক্ষু কে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে একমাত্র নিষ্ঠা সর্বস্বতে সমর্পণ করেছিলাম ।
...... কি ভীষণ অহংকারি পায়ে পিষে দিলো সময় একটু একটু করে গড়ে তোলা যত্নের অবগাহন।
আমি মানুষকে আজকাল ভীষণ রকম ভয় পাই জানো ,
আর প্রতিদিন ঘুম ভেঙে উঠে নিজেকে বলি এই পৃথিবীতে শুধু অবিশ্বাস শব্দটা সত্যি ,আর মিথ্যে ভালোবাসা শব্দটা ...
....কোনো একদিন জীবনের উপান্তে এসে একবার জানতে চাইবো .... ঠিক কোথায় কতটা কম পরে গেছিলাম সে জমিনে ।
তাই সমস্ত উপহার জুড়ে আজীবনের বাইশে শ্রাবণ পাঠালো খয়েরী খামে মেঘের জন্যে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন