যে খেলার তাল লয়ে বিশ্বাস ফুরিয়ে যায়
খরজন্ম... শ্মশানযাত্রার...মত সে খেলার নোবিশ।
শরীরের প্রতি খাঁজে রুটি মাংস মদ... ডাঁসা সোহাগী ভালোবাসা।
ফাঁপা হাড়ে লাল নীল সবুজ প্রেমিকের অন্তর্হিত স্পর্শ ।
চোখের পাতা একাকীত্বে ঝড় এসে পরা আয়নার কাচ ভাঙা আটকে থাকে ।
মাঝরাতের অন্ধকার ডিঙিয়ে খাঁড়িপথে হলুদ প্যাস্টেল ঘসে হেঁটে যায় এক পাল আমায় বুনো ইচ্ছা..
ঘোড়ার খুরের আওয়াজে লাফিয়ে ওঠে অবাঞ্ছিত
সম্পর্কে বেড়ে ওঠা পরিজাতের বাগান ,
গর্ভের তখন ভালোবাসা ভালোবাসা খেলায় জন্মানো সন্তান প্রবেশ করছে ।
... জমিয়ে রাখে শরীরের গন্ধ ও মধ্যবয়সি শিরীষ
প্রেমিকের পঞ্চাশতম প্রহসন .... যেন একফালি চিরকালীন সূর্যাস্ত।
বুড়ো পাখিটা দাঁড়াতে পারে না আর ডোরাকাটা জানলায় এখন সে নেতিয়ে পড়ে থাকে .... কাচের ছায়া খুঁটে খুঁটে খায় সে।
জলরঙে তৈরি বাঁধানো চাতাল নাটমন্দির
ছাড়া সব কিছু বদলে দিয়েছে এ শহর কলকাতা ।
এখন রাত্রি গুলো বড় সহজ হ'য়ে বেঁচে থাকি আমি।
অসাড় অনুভূতি আর যত্নে রাখা আঙুল ভিজে বাতাসে ত্রিভুজ এঁকে যায় না ।
তোমার ঘরে আমার একটা আস্ত না হওয়া সংসার অসাড় চিহ্নের ছবি খোদাই ক'রে একটা বড়সড় কফিনে রেখে দিয়েছো ... যার ভেতর আজকাল অবিকল চোরা স্রোতের মতো অন্ধকার ঝরে পড়ে তোমার মত শ্রষ্ঠ কবির কবিতায়।
একটা গোটা রাতে এমন অনেক অন্ধকার থাকে।
যারা চুপ থেকে শব্দ না করেও সমস্ত কিছু ঘুন ধরিয়ে দিতে পারে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন