সমস্ত পাগলামি জুড়ে মেয়েটা দাঁড়িয়ে আছে ধর্মতলার মেট্রোর পাশে , আছে ঝুলি ভর্তি সদ্যোজাত স্বপ্নর কাঁচা মাটি সঙ্গে নিয়ে ।
সমস্ত পাগলামি জুড়ে ছেলেটা বাঁচতে চায় একটা কবিতায় , চায় মেয়েটার বুকে আদ্যপ্রান্ত কবিতার
শব্দের চারা পুঁতে দিতে ।
সমস্ত কায়নাৎ জুড়ে একটা কবিতা বদলে ফেলতে চায় সমাজের তৈরি সমস্ত নিয়ম ,চায় ভালো থাকার বৃষ্টি নিজের আকাশে ।
সমস্ত পাগলামি জুড়ে একটা কবিতা কখন ছোটো গল্প থেকে উপন্যাসের উপসংহারের পথ হেঁটে ফেলে,
হেঁটে ফেলে অচেনা দুয়ার চিনে নেওয়ার পথ ,
সমস্ত পাগলামি পথ বদলে শহরতলি থেকে নন্দন
আর পাহাড় থেকে জঙ্গল কিনে ফেলতে চায় একটা কবিতা , চায় গোপন কথাটা থাকুক চিরকাল গোপন ।
সমস্ত পাগলামি জুড়ে একটা কবিতা একদিন বিচ্ছেদ লিখে ফেলে , লিখে ফেলে ভালোবাসা বদলে গিয়ে ঘৃণা , প্রহসনের খসড়া,
সমস্ত পাগলামি জুড়ে ছেলেটা হারিয়ে যায় শহরের
বিজ্ঞাপনে ,হারিয়ে যায় রংমসালে আলোর ফিরিকে ।
সমস্ত পাগলামি জুড়ে এমন কবিতা জন্মায় আবার
মাটির নিচে চাপা পরে যায় , চাপা পরে যায় একদিন বাঁচতে চাওয়া গল্পের সিকুয়েন্স গুলো আদ্যপ্রান্ত ।
সমস্ত পাগলামি জুড়ে একদিন একটা কবিতা মুছে ফেলে মেয়েটা , লোহার বর্ম পরে নেয় সে , পরে নেয় পুরোনো জোব্বা, আর কাঁধে রাখে জন্ম দাগের সমস্ত সয়ে যাওয়া যন্ত্রণার ঝুলি ।
সমস্ত পাগলামি জুড়ে একটা কবিতা এগিয়ে যায় গোমুখ থেকে কন্যাকুমারীর পথে ।
সমস্ত পাগলামি জুড়ে একটা আগুন শুধু শান্তি দিতে পারে একটা গোটা কবিতার শেষের লাইনে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন