অদৃশ্য ঘুঘুর ডাকে উঠোনের চরাচর জুড়ে যেন
অকাল মৃর্তুর শোক বিছিয়ে রাখা ।
আমরা নিজেদের চামড়া ছিঁড়ে শূন্যতায় গুঁজে দিচ্ছি নুন লঙ্কা ,,, আর মনে মনে বলছি অবিশ্বাস করতে শিখতে হবে এবার থেকে নিয়ম করে ।
কারণ তিলোত্তমার মাদুলীর মোম গলে গিয়ে বিশ্বাস উড়ে গেছে ফুসমন্তর হয়ে ।
এখন চন্ডীদাসের চর্যাপদের মতোই দূর্বোধ্য শব্দ বয়ে বেড়ায় ওই তিলোত্তমা ,,
...আমরা কেউ কাউকে কারো কথা বলিনি বহুদিন।। ,আমি মাঝে মাঝে এই হার্ডসন নদীটাকে গঙ্গার সাথে জুড়ে দিই আর সাঁতার শেখাই আমার গোপন শোকে দের ...কারণ
এই হার্ডসন নদী মানুষের অসুখ কে কখনো দত্তক নেয়না ,
এখানে কেউ নদীর কাছে বিসর্জনের জন্যে আসে না ,,,
এখানে আসার পর আমার অসুখেরা কফিনে মৃত
সাদা কাপড় ঢেকে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন