বৃহস্পতিবার, ৮ জুলাই, ২০২১

যন্ত্রের গল্প


কাঠের  খিলানে নতুন  নকশা আমার একমাত্র প্রেমিক তার নতুন বাড়ির দরজায় রেখেছে নজর কাঠি ।
.. আমি নেই জেনেও সে মাঝে মধ্যে  খাবার ভরা থালা  রেখে আসো ছাদে... শেষকৃত্য হবার পরে
মানুষ ভালোবাসা প্রকাশ করে বেশি করে কেন এর কোনো উত্তর পাইনি আমি ।
  কোনএকদিন পাহাড়ী ঝর্ণার পাশে ঘর বাঁধবো   বলেছিলাম তার সাথে .,
..  টিলার আড়ালে ছোটো ছোটো রং দিয়ে আমার ক্যানভাস ভরিয়ে ফেলবো এমন কথাই ছিলো... নোনতা... বৃষ্টিতে সে ভিজবে  জীবনের বাকি বর্ষার দিন গুলো ।
  কখন যেন মনে হল জীবনের প্যারাডক্সগুলো বদলায় না কখনোই ,
 অঝোর বৃষ্টিতে দাঁড়িয়ে  ভিজতে  থাকি  একেবারে একা  ... মাথায় ছাতা নেই কিন্তু আশ্রয়ের খোঁজে আমি কোনো দিকে তাকাতে পারি না আর  ।

 ... কালিহীন  কিছু প্রিয় কলম রাখা থাকে আমার পুরনো খাতার কাছে ...  মাথার ওপর ছেড়া ছেড়া শব্দের  পাতা বহ্নিমান এর মত ।
 চিরকাল একটার পর একটা  বোবাযুদ্ধের খামে লেখা ভুল ঠিকানায়...আমি জখম থেকে শুশ্রূষা ...শুশ্রূষা থেকে জখম লিখে রাখলাম অথচ কখনো তারা প্রতিবাদী হয়ে উঠতে পারলো কই!


গঙ্গা চিরকাল আমার প্রিয় স্রোত কেন জানি না , ... . অথচ এই স্রোতে আমার সমস্ত দুঃখ ভেসে ওঠে বারংবার ।

কোনো এক গাছের পাতায় নাকি আয়ু লিখে রাখেন ঈশ্বর 
......লিখে রাখেন . অনন্ত জীবনের প্রতিচ্ছবি... আর একটা বড়সড় ছায়াবৃত্ত ,
  নকশিকাঁথায় পৃথিবী মুড়ে ফেলেও আমার জ্বর কমেনি কখনো ।

 ঘাসের ভাঁজে ভাঁজে রেললাইন ছুটে চলেছে নিজের নিয়মে... ট্রেনের শব্দ চৌকাঠ ডিঙিয়ে আসা হাওয়ায় ভর করে আমাদের চেনা থেকে অচেনা গল্পে হারিয়ে যাচ্ছে ।
আমি শোক কিংবা সৎকার কিছুই না পালন করে
আগামী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হয়ে নিই আবার।


কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন