আমার আসল জানে
তার নকল সে হীরকচূর্ণর সাত সতেরো
কুমিরে জল খেলা তবু নিজেকে সমুদ্র সফেনে
ভাসতে দেখা
জীবন জুড়ে শুধুই উপহাস পদ্ম পুকুরের পাকে মুখ ঢাকা শব্দের ভিড়ে
ডুবো পাখি হয়ে বেঁচে থাকা কতটা প্রয়োজন ,
জলে রঙ মেশে, রঙে অজুহাত
কোথাকার কথা কোথায় গড়ায় ,..." না ...তুম জানো না ম্যায় জানু ,"
এই যে চিড়িয়াখানার শহর
লুটিয়ে হাসে মানুষের আদলে দেখতে আজব প্রাণী .................দো পল হি তো জিনা হ্যায় ফিরভি সিকায়ত ভরিব আজব জিন্দেগী , জো মিল গ্যায়া
উসকি কদর করনা শিখা নেহি ...,জো বে- মতলব
উসিকি খোয়াইস ম্যায় নাশামন্দ জিন্দেগী ।
ত্রিকোণ যুদ্ধ চলে ; পেটে ভিজে কাপড় জড়িয়ে
ভালো আছি বলতে বলতে হাঁপিয়ে ওঠা দেহ মন ঘুমিয়ে পড়া ভালো জেনেও রাত জাগা পাখির মত জানলা খুঁজে বেড়ানো অভ্যেস যেন মুক্তি খোঁজে ,
গৃহযুদ্ধের আগেই দৌড়ে পালিয়ে যায় প্রতিবার
এমন এড়িয়ে যাওয়া স্বভাবি মন ....নাকি মন কেবলই দু অক্ষরের শব্দ মহল
দ্বন্ধের মাঝে পড়ে লোপাট তার সমস্ত উত্তর ।
আস্তাবলে, লুকিয়ে ইশারাময় নাটকে
উড়ে আসে সাদা কবুতর। ছড়ানো গম খায়।
দিনের শেষে সকলেই ঈশ্বর হতে চায়।
বিশেষ বিশেষ খবর শেষে তবু তো হাত পাতে ভাঙা কুলোর কাছেই।
সাদা কাগজে কাদা রাখা
তবু সাঁতরে করেছি পার তার দেহ সে সর্বস্ব মাতাল। নেশার অঙ্গে চোখ, তার কুমকুম রাঙা ,
পাহাড় জঙ্গল যেন জলাধার সব হারাভারা ,
যে প্রবাহে আমি শুনতে পাই তার সবটাই কেবল ভ্রম আর ভ্রম ,
ভ্রমরের বিষ যেন হুকুমের তাস। এক্কা কার?
তোমার না আমার ,....
কার গোপন দেরাজে লুকিয়ে আছে
জিত কেউ জানি না ।
ফুলের বদলে তবু অ্যাসিড ভালো,
কবিরা তো খুনের আগে হাসে সর্বনাশের হাসি ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন