আমি সমুদ্রের গভীরে শুয়ে আছি .....ছোট ছোট মাছের কঙ্কাল হলুদ নর্তকীর বেশে আমার পরমায়ুর চারপাশে প্রদক্ষিণ করছে ,
নিরালম্ব মধ্যমা মায়া যেন ,
আত্ম মগ্ন প্রবাহ নিংড়ে পালিত মেঘ আর আমি বিছানায় সহবাস করছি কত যুগ , সে সহবাস কোয়েকভাগে ভাগ করে সময়ের ফ্রেমে আটকে রাখি ...।
প্রথম ভাগ সংবহন কলা , দ্বিতীয় ভাগ দেহাতি
আলোড়ন ত্ত তৃতীয় ভাগে পৌরাণিক কান্না দিয়ে সঙ্গম শেষ হয় ।
শেষ বার ঠোঁট ছুঁয়েছিল তার ভেজা তিরতির কাঁপতে থাকা দুখানা ঠোঁট ।
তারপর চোরা শিকারীর বেশে জলকণা ছিটিয়ে
সময়ের আস্তরণ পড়া বয়স ও রং জিইয়ে রাখে সে ,,
আমি সমুদ্রের গভীরে শুয়ে স্পষ্ট দেখি
সেই কতো যুগ আগে। গভীর রাতে ঈশ্বরের বাগানে স্বপ্ন ছিটিয়ে দেয় যারা... তারাও ধীর লয়ে, সাবধানী পায়ে... গৌরবহীন, প্রকৌশলে... ঘেরা টোপে রেখে আসে এক-একটি সময়ের সভ্যতার নির্মাণ।
এসব দেখে হিম হয়ে আসা শরীর তালগোল পাকিয়ে যায় .....তবে কি আমি তোমাকে ঠকিয়েছি ! নাকি আমি নিজেকে ঠকাচ্ছি ....শৃঙ্খল ভাঙা যে বড় কঠিন ...সে কথা মানতে আমায় আর কত যুগ সভ্যতার কাছে ঋণী হতে হবে জানি না ,,
আজ সেই রাত, যে রাতে রোদ্দুর নিভে গেছে শেষ মেষ... ..আগাছাও অজস্র ফুলে ভরা।
যতই ডাকো আজ আশ্রয়ের লোভ সম্বরণ করা দায়।
দরজা খোলাই থাক... ভোরবেলা যখন রোদ্দুর ফিরে আসবে... আয়ুধ শুষে নেবে পূর্ণ কুম্ভের মতো... আমার ঘুম ভাঙিওনা ।
পাহাড়, নদী, জঙ্গলের সব খেলায় হেরে গেছি আমি বারংবার।
স্রোত সরে গেলে কাঠের জাহাজ ভিড়বে ধূ ধূ বালুচরে। গাঢ় স্নানে তখন মুছে নিও সব লেনদেন... অগোছালো চিহ্ন ও সূত্রের বাকি থাকা সব হিসেব নিকেষ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন