ভীষন নির্জন সমস্ত ওয়ার্ড ,
দু চারটে মৃত্যু এই কদিনে আমার আশপাশের বেডে পড়ে থাকতো...
কাল থেকে আমি আর আমার অসুখ একা এই চারতলার ইমারজেন্সি রুমে ,
যারা সুস্থ হতে এসেছিল তারা করিডোর দিয়ে ফিরে গেছে নিজেদের খোয়ারে ।
যারা বাঁচতে এসেছিল তারা ব্যাগে ভরে জীবনের ইন্স্যুরেন্স নিয়ে ফিরে গেছে নিজস্ব ছই এর তলায় ।
আমার ভেতর ছুচের মত অসুখগুলো বিছানার সাথে সেলাই করে রাখে আমাকে , আমার ভেতর অসুখ গুলো ভুতপ্রেতের মত আমায় দখল করে রাখে ।
আমি জানলার কাছে দাঁড়িয়ে আকাশ আর পাখিদের সাথে কথা বলতে চাই , অন্ধকার আস্তরনের মোটা পর্দাটা সরিয়ে রোদ্দুর কে আমার অসুখ আর বিছানায় বসতে দিতে চাই ,
অথচ আমায় সময়ের ফুরিয়ে যাওয়া সমন আমাকে এই হসপিটালের বিছানার সাথে সেলাই করে রেখেছে ,
আমার কৃত্রিম নিঃশ্বাস বাতাস নির্ভর করে আছে একটি ফ্যাকাসে রঙের পাইপে ,
আমার বুকে ওপর অজস্র সিস্টেম হাত বোলাচ্ছে
রাত দিন ।
না না এ স্পর্শ একেবারে আলাদা এ নিঃশ্বাস বেঁচে থাকার নয় শুধু কিছু দিন জিইয়ের রাখার ।
আমি আর আমার অসুখ গুলো এখন ভালোবাসা হীন , স্পর্শ হীন নির্জন হাসপাতালের উঁচু সিলিং এ মুক্তির অপেক্ষায় ,
কখনো কখনো স্লিপিং পিল এর ঘোরের ভেতর সেই মুক্তি আমাকে বলে সামান্য ভালোবাসায় সুস্থ আর নীরোগ হতে পারতে খুব সহজে ,
আমার উঠোন জুড়ে তখন অসময়ের বৃষ্টি জল থই থই....।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন