এই শহরের পথে হাঁটতে-হাঁটতে একলা আমি ঘরে
ফিরে যাব কখনো । ধুলোবালি ও ঘাসে
খানিকটা প্রশংসা
খানিকটা সবুজ বাঁশের নিদারুন উপহার নিয়ে আমি ফিরে যাই প্রতিবার।
দেখি শুকনো পাতা উড়ছে অচেনা সন্ধ্যার বাতাসে.... প্রেমিক মন মাতাল হচ্ছে কোনো সোহাগি মুহুর্ত আঁকড়ে,
আমার পিছনে এমন কোনো মুহুর্ত রাখা নেই কস্মিনকালেও,,
কাউকে আমি ডাক দিয়ে বলিনি আমার কলিজায় কিছু আজন্মকালের রাখা জ্বলন্ত কাঠকয়লার কথা,
আমার পাঁচ নম্বর প্রেমিক আমায় বলেছিল
চলো রোদ্দুরে গলিয়ে দেব গিনি তারপর তুমি আমার অহংকার হয়ে বুকের তিলের কাছে থাকবে,
হাত বাড়িয়ে অহঙ্কার কুড়িয়ে নিতেে গিয়ে বটগাছের মাথায় কাকটা বলল
তোমার পাঁচ নম্বর প্রেমিক তার ছাব্বিশ নম্বর প্রেমিকার ঠোঁটে এই মাত্র রোদ্দুর সেকা উষ্ণতা রাখে এসেছে,
আমার ঘরে তখন আড়াই পা ঘোড়া এগোয়
প্রত্যেক আড়াই পা এর খানিকটা বোঝাপড়ার রক্তক্ষরণ,
তার মানে কি এই নয় যে, আমি রাখিনি বিশ্বাস,
আমার স্রোতে সভ্যতা বরাবর নিষ্পন্ন হতে
দেখেছি।
বালিহাঁস সরে গিয়ে জায়গা দেয় আপশি ঢেউকে ;
আমার সব চেয়ে প্রিয় পাঁচ নম্বর প্রেমিক
সাইত্রিশ এর ফ্ল্যাটে সমাজের বালিশে মাথা রাখতেই ভালবাসে।
সমস্ত দেখেছি আমি, বুঝেছি যে, মানুষের
কাছে আসে সময়ের কৌতুহলে তারপর ফিরে যায়
বিষাক্ত-মনোরম উল্লাসের আবির্ভাব তৃতীয় চেতনা নিয়ে।
এত কিছুর সাক্ষি এই চোখ এই মন.... এরপর
আমার পিছনে কোনো মনে রাখার মত মুহুর্ত নাই, আমার ভিতরে দলবদ্ধ কিংবা ঐকান্তিক কোনো আকাঙ্ক্ষা নেই,
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন