তোমাদের না খেতে পারা এটোকাঁটা ,
গ্রীষ্মে কুকুর গুলোর জিভ থেকে ঝরতে থাকা বিস্বাদ ক্লান্তি ,
দীর্ঘ পথ হেঁটে আসা গাছের ছায়ায় বসে বাগান ওয়ালার থুতু লাগা জ্বলন্ত বিড়ির অবশিষ্ট ....
মাতাল লম্পট লোকটার নেশার ঘোরে উগলে দেওয়া বমি ,।
আরো ...আরো অনেক কিছু যা তোমরা উচ্ছিষ্ট ভাবতে গেলেও তোমাদের ভেতর গোলযোগ বাঁধে ...,আমি সে সব কিছু পরম তৃপ্তির সাথে খেয়ে ফেলি ।
সে দিন এরকমই কিছু এটো কাঁটা বমি যখন আমি
ভেতরে সেঁধিয়ে নিচ্ছি ভীষন শান্ত হৃদয়ে , আস্তাকুঁড়ে পাশে জামরুল গাছটার চকচকে সবুজ পাতা থেকে একটা আমির শুয়ো পোকা আমার কাছে ঝুপ করে নেমে এলো ...,
আর খানিকটা অহংকারী হয়ে জানতে চাইলো ...
কি হে তুমি মানুষ তো নাকি মানুষের আদলে নিকৃষ্ট কোনো প্রাণ ?
আমার একাগ্রতায় ব্যাঘাত ঘটায় বেশ বিরক্ত হয়েই জবাব দিলাম আমার কোনো দায় নেই তোমাকে উত্তর দেওয়ার ।
শুয়োপোকা টা আবার একটা প্রশ্ন করলো লোম খাড়া করে পরবর্তীতে অহংকার এর সাথে ,
মানুষ তো শ্রেষ্ঠ বলেই গণ্য এই পৃথিবীতে ...তবে এমন নিকৃষ্টতায় তোমার ভেতর কোনো গোলযোগ বাঁধায় না ?
এবারে আমি খাওয়া ছেড়ে শুয়োপোকার মুখোমুখি হয়ে জবাব দিলাম শোনো হে ....আমার ভেতর কোনো বাতাস নেই ,পাথর নেই , তুষ্ঠ অতুষ্টতা নেই , নেই প্রেম কিংবা অপ্রেম ,
... তাই কোনো গোলযোগ ছাড়াই ,কোনো আলোড়ন ছাড়াই , কোনো স্বাদ ছাড়াই আমি থাকতে পারি ,
শুয়োপোকা আবার আবার কিছু প্রশ্ন নিয়ে মুখ আমায় বিরক্ত করার আগেই আমি গভীর যত্নে একটা কুকুরের জিভ থেকে ঝরতে থাকা লাল চেটে নিতে থাকলাম ......শুয়ো পোকা টা নিজস্ব অহংকার এর রঙে প্রজাপতি হয়ে উড়ে গেল ।
আমার মনে হল আমার অহংকার কেনার মত আমির কেউ নেই।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন