আমার চোখ বাঁধা হলো পেটে
প্রথম লাথি রক্তাক্ত আমার যোনির দরজা,
থ্যাতলানো ঠোঁটজোড়ায় ঢুকিয়ে দেওয়া হল কারো অহংকারে শিস্ন।
লাল –রক্তে একাকার হলো আমার ভেতর বাইরে
ঝরে পরা কংক্রিটে তখন বাকি টুুুুকু নিঃসৃত বেঁচে থাকা শ্বাস নিচ্ছে
মা…..মাগো….. চেঁচিয়ে উঠলো আমার মত
দেখতে কাল মেয়েটা।
আধ-খাওয়া একটা সিগারেট প্রথমে স্পর্শ করলো তার বুক।
পোড়া মাংসের উৎকট গন্ধ ছড়িয়ে পড়লো
চারপাশের হাওয়ায়,,
জ্বলন্ত সিগারেটের স্পর্শ মেয়েটার
দেহে টসটসে জলটোপ তুলতে লাগলো।
পরের লাথিটা বাঁকিয়ে দিল শিরদাঁড়া....
তখনো শিস্নের ওঠা নামা অসম্ভব তুংগে
জল হয়ে গেলো দেহ,
এবার আমার মত কালো মেয়েটা অথবা আমি
চিৎকার করতে পারলাম না।
শুধু আসুুুুরের মত কেউ যেন একই গর্তে আবার একটা দন্ড ঢুকিয়ে দিলো।
কালো কর্কশ কষ্টে মেয়েটা ফেটে
গেছে তখন... কিছু বলতে চাইলো আমার
মত কালো মেয়েটা...
হয়তো মৃত্যুর কথা....,
হয়তো বেঁচে থাকার যন্ত্রনার কথা....,
হয়তো পেটের ভেতর আপ্রেমিক এর আগামির
বেড়ে ওঠার কথা।
সামাজ তোমরা কেউ কি জানো আমার মত কালো মেয়ে গুলো চার দেওয়ালের ভেতরেও কেন
এমন নির্মম ভাবে রক্তাক্ত হয়?
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন