সেই শীতল চোখ ,ভেজা রাতের একলা উত্তরের বারান্দা ,আমার একলা তারা আর আমি ,
সেখানে স্পর্শ ছিল না, ছিল না বেঁচে থাকা ,
ছিল না আদর , সকলে মাড়িয়ে যেত পথে ঘাটে ,
আসা যাওয়ার পথে শরীরের কাঠামোয় ফুটিয়ে যেত অজস্র জেরুজালেমিয় পেরেক ,
নাহ আমি কখনো কাঁদতাম না ,
আমার ছিল না কোনো রক্তক্ষরণ , ছিল না আত্মহনন ,
আমি ঝর্ণায় তখন স্নান করিনি তখন পচা শ্যাওলা জমা একটা পুকুর আমার গা ধুইয়ে দিত,
অন্ধকার আঁশটে গন্ধে ভোরে থাকতো আমার ভাড়ারের কৌটো গুলো ,
তবু ও আমার সেসবে জন্য কখনো কোনো অভাব বোধ হয়নি ,
কেন যে তুই আমার ঘরেই জানলায় রোদ
ডাকলি ?
কেন যে সমুদ্র হতে চাইলি ?
আমি বুকের কোটরে আগুন কে চিরকাল ঘুম পাড়িয়ে রাখতেই তো ভালোবাসতাম ,
কেন যে তুই সোনার কাঠি ছুঁইয়ে ছিলিস ?
আমাকে তুই অনলি কেন ?
আমাকে তুই ফিরিয়ে দে আমার অসভ্যতার ,অন্ধকারের ,অনভিজ্ঞতার ,অস্পর্শ সেই আমিটাকে ।
কোমল বাতাস ,আলোর পৃথিবী, স্পর্শ , বোধ ,
অনুভূতি , পাওয়া না পাওয়া ,
এসব কিছু রাখা যায় এমন পাত্র আমি নই , আসলে সব কিছু জন্য যোগ্য পাত্র লাগে ,
মাছের ঝোল যেমন বাটি তে মানায় , ভাত তেমনি মানায় বগি থালায় ..... আমি সেই সঠিক পাত্রটাই নই ,
আমাকে তুই অনলি কেন ?
প্লিস আমাকে ফিরিয়ে দে সেই অনুভূতি হীন স্পর্শ হীন , শীলত আমিটাকে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন