বিশ্বাসের মাঝখানে অদৃশ্য শূন্যতা ইঁটের পর ইঁট
ইমারত তুলে যাচ্ছে অহমিকা সময়,,
সুজন তোমার সিন্ধু বিষাদে অজানা লবনাক্ত বিচ্ছেদের তরঙ্গ এখন উত্তাল সাম্যহীন ।
যে লাশের উপর তুমি হাতছানি লক্ষ্য করে হাঁটছো,
সমস্ত মৃত্যু একদিন হিসেবি হবে তোমার ঐতিহাসিক স্থাপত্যে ,
সেদিন আকাশে কান পেতে শুনো
চলে যাওয়া মুহূর্ত রা অনুরণন রেখে যায় ,
আমি চারপাশে নিজেকে তোমার দেওয়াল বন্দি করে আজ অসহায় শোক হয়ে গেছি ,
অথচ হাজারো বান্ধব রঙের করতলে তুমি আজও নতুন নতুন সূখের উদ্বোধক ,
সঙ্গম প্রিয় প্রেমিকার ঠোঁটে পুঁতে দিয়ে যাও লুকোনো সিঁধ কাটা তৃষ্ণা ,
জীবনের খুচরো অদুলিগুলো হঠাৎ কখন অপ্রিয় অযথা হয়ে গেছে ,
দুমুঠো সাদা ভাতের স্বপ্নে নিস্তারের প্রতিশ্রুতি
খুঁজছো কেবলি ,
দেখো একবার পেছনে ফিরে লাশের সারি ...
কিছু চেনা কিছু বা ভুলে যাওয়া প্রেয়সীর হাসি,
ঈশ্বর যে চিরকাল ভালো মন্দ যাই ঘটুক চুপ থাকেন নির্বিকারে,
তবু নিন্দিনীর বুকের কোনো গোপন কুঠুরিতে পাগলা দাসুই ঈশ্বর ......
সময়ের রঙ্গমঞ্চে হাজার চরিত্রের যাওয়া আসা
কেবল স্বার্থের নিরিখে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন