মঙ্গলবার, ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২১

লাল ডু ঙ রী

 ঈশ্বরের প্রথম বার  বুক-ভাঙা কান্না,, যা কিনা ডুঙরীর কলেজে থেকে ঝরে পরা ঝর্ণা,  আমি  কাছে এসে দাঁড়ালাম ......
ভালোবাসলে তো এমন ঝর্ণা মুফত পাওয়া যাবেই ,
অথচ ভগবনের কাঁধে মাথা রেখে রাইমতি  যেন সরল নদীর মত নিজেকে বিস্তার করতে পারে , 
একই পটে দুই ছবি সময় এঁকে দেয় গোপন অভিলাস, 
অথচ এ পৃথিবীতে এমন কিছু জন্ম থাকে যা চিরকাল সমস্ত বেঁচে থাকা জুড়ে অভিশাপের মত কালো জন্ম দাগ বয়ে বেড়ায় ,
  ....তার মাঝেই লাল ডুঙরী কল্লাচে জীবন নিজের মত ভালোবাসা খুঁজে পায়...  কিংবা খুঁজে নেয় ।

আর ঈশ্বরের মত কিছু কিছু মন আগুনে পুড়তে পুড়তে মজার সামগ্রী হয়ে থেকে যায় ভালোবাসা নামক শব্দের কাছে ।।
রাইমতি ভালোবাসায় গাছ হয়ে ওঠে  ভগবানের দ্রোহের উঠোনে , 
 আর ভগবানের বুকের ভেতর জন্ম হয়  সব পাওয়া গুলো পূর্নতায় ভরে ওঠা ভিজে কলসীর ।।
তবু জীবন বোধহয় আশ্চর্যের নাম .......!!
জীবন বোধহয় অজানা অধ্যায় এর আর এক নাম!!

আজন্মের মকরজল শুকিয়ে যায় গোপন অভিমানে , .........আবার  শুক্লা দশমীর চাঁদ 
শুকিয়ে যাওয়া জমিকে সরেস করে দেয় আঁত ছেড়া কান্নায় ।
রাইমতি দুই সখার বুকে এক চিরন্তন  আবাল্য ভালোবাসার নাম ....., 
আর এই ভালোবাসায় কখনো ভগবান তার জন্ম কালিমা ভুলে গেছে .....কখনো ঈশ্বর তার আঁকা বাঁকা চেহারায় প্রেমের সরলরেখা ছুঁয়ে দেখেছে ।
আমি এসব ছুঁয়ে দেখলাম আমার মাথায় রাখা "মণি"র আলোয় আলোকিত হয়ে ।
এমন করে লালডুঙরীর  হাতে হাত রেখে  এক জীবন প্রচ্ছদে আমার অজানাকে জানা হলো ...অদেখা কে দেখা হলো মানস-চক্ষু দিয়ে ।

কোন মন্তব্য নেই:

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন