সব আঙুলের ছাপ হয়তো
ফোঁপানো কান্নার মতো হয় না...
যেমন দীর্ঘশ্বাস ছড়িয়ে পড়ে ...
চাইলেও কুড়িয়ে নিতে পারে না কেউ ।
সব আকাশ মিথ্যে হয়ে যায় না জেনেও ইরেজার দিয়ে মুছে ফেলতে হয় কোনো একদিন বুকের ভেতরে রাখা ড্রইং খাতায় যত্নে আঁকা আকাশটাকে ।
... হাতের রেখায় রেখায় ছড়িয়ে পড়েছে......... নিঝুম বাবলা গাছের কাঁটার বেড়ে ওঠা স্বভাব।
গল্পপাঠ শেষ হলে এ শহরে মানুষ গুলো পালুই-এর ফাঁকে গুঁজে অজস্র এটো শরীর,
তারপর সেসব ক্ষত সারাবার বাহানায় শুশ্রূষা প্রার্থনা করে রাত ভর এস্রাজের সুর বাজিয়ে যায় আকুল হৃদয়ের দল ।
নদীর চরে নিজের চিতা চাপা দেওয়া মিহি বালি ছড়িয়ে রাখা গল্প খুঁজতে চায় এর ঠিক পরের অধ্যায়ে ।
চেনা মুখ হাঁটু মুড়ে সাজিয়ে রাখে এসব দৃশ্য।
.. যন্ত্রণার পাশে একটা বিকেল এসে দাঁড়ায়... মনে হয় পূর্বপুরুষের পাপ বুকে নিয়ে আমার মত কেউ যেন হিসেবের উঠোন জোড়া অংকের সামনে মাথা নীচু করে দাঁড়িয়ে আছে ।
অথচ আমার মত যারা চিরকাল অংকে কাঁচা
তাদেরকেই সিঁড়ি ভাঙা অংক পরিবেশন করা হয় কেনো জানি না ।
তবুও চিরটাকাল সভ্যতার ক্ষত্রিয় বর্ণে আমরা বেমানান হয়েও টিকে থেকেছি।
এবার না হয় দরজা খোলাই থাক... ভোরবেলা যখন রোদ্দুর ফিরে আসবে... আয়ুধ শুষে নেবে পূর্ণ কুম্ভের মতো...
পাখিদের বলে রাখবো ... ঘুম ভাঙিওনা আমার। পাহাড়, নদী, জঙ্গলের সব খেলায় হেরে গেছি বারংবার আমি।
জানি নদীস্রোত সরে গেলে জাহাজ ভিড়বে ধূ ধূ বালুচরেই।
গাঢ়তর স্নানে তখন মুছে দেবে সব লেনদেন... অগোছালো চিহ্ন ও সূত্রের বাকি থাকা হিসেব নিকেশও ...... মিটে যাবে ।
ফোঁপানো কান্নার মত আঙুলের ছাপ খুঁজতে সেদিন কেউ তো নিশ্চই বিবাগী হবে সাজানো সুখ ফেলে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন