দুপাশের চলমান জীবনের কাছে আলো ছাড়া বাকি অংশ টুকু যেন দৃশ্যের ভেতর প্রবেশ না করতে পারে ,
.........শান্তনুর ঠোঁটে তখন হয়তোবা উপহারের একটুকরো আগুন , চোখের কানাচে মিনিট দশেকের পরিচয়ের আলেয়া তখনো খানিকটা রয়েছে , ,
শহরের মাইলস্টোন গুলো শুধুমাত্র জানতো মেয়েটা এতদিন মৃতের বুকে নিঃশ্বাস হাতড়ে বেড়ানো আকুতি আর বিস্মৃতর স্মৃতি গুলো নিমতলার শ্মশানে পুড়িয়ে ....যত্নে রাখা বছর দশ এর থেকে নিজের মুক্তির দূরত্বে হাঁটছে এবার ।
সঞ্জয়বাবু গল্পের ডাইমেনশন খুঁজতে চেয়ে বারংবার জীবনের দর্শন ছুঁয়ে দেখতে তখন ব্যস্ত ,,
তোমার সাথে দশ মিনিটের কথোপকথন কমে গিয়ে সাড়ে চার মিনিট মাত্র ......শেষবার দেখা
প্রথমবারের থেকে আলাদাই হয় ....., পূর্ব-পশ্চিম নিয়ে এবার তুমি কি করবে আমার কাছে জানতে চেয়ে ওই সাড়ে চার মিনিটের এক মিনিট বিরিক্ত হলে .., বললে আমি তোমাকে কথা শোনাতে এসেছি ,, .....আমার ১০৪ কাঁপুনি জ্বরের শরীরে
কথারা বোবা হতেই চেয়েছিল তখন ,
ঠিক কতটা কম কথা বললে তোমার মনে হত ....যে আমি তোমায় কথা শোনাতে আসিনি ! ...সেকথা জানার সেসব দিন এখন আর নেই ।,
শান্তনুর চোখে আমি তখন একটা একুশ বছর খুঁজে পথ হাঁটতে চাইছিলাম কিনা জানি না , এও জানতাম না সঞ্জয় বাবুর ক্যানভাসে আমার জন্যে আদেও এতটুকু জমি খালি আছে কিনা ,,
তোমার মুখোমুখি হতে গিয়ে এবারে দু সেকেন্ড সময় নিয়ে নিজেকে বিষবৃক্ষর বাকল পড়িয়ে নিয়েছিলাম ,,
অভাবী হতে চাই না আর ....অভাব জানতেও চাই না , শুধুমাত্র শান্তনুর মত আগুন ঠোঁটে রূপকথার গল্প থাকুক এবার থেকে ।
তিলোত্তমা ...তোমার থেকে তুলে আনা আবর্জনা তোমার কাছেই ফিরিয়ে দিলাম হিসেবের খাতায় ....
যা ফেরৎ দিতে পারলাম না তা পাপ দাগ হয়ে বইতেই হবে জন্ম দিন, মৃত্যু দিন , উৎসবে ,কিংবা প্রেমের দিনের উপহারের ভেতর আগলে নিয়ে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন