আর সে সব শব্দ নিয়ে জানি না কি সব লিখি আর কেনই বা লিখি , ,,
আমার তো কখনো মৃত্যুর পর নিজের চিহ্ন রেখে যাবার ইচ্ছা হয় না ,, তবে কেনো যে এই শব্দের বকুম বকুম .... অথবা এমন কোনো পড়শী নেই যার পরোয়ার আমার এই দস্তখত ,
নিজের ভেতর পাথরের পাহাড় ভেঙে গাইতি ও ছেনির আঘাতে অন্য এক আমিই যেন অগুনিত মূর্তি গড়েই চলেছি ,
কখনো কেউ চোখ তুলে দেখেনি সে সব অপচয় সময়ের চিহ্নদের কখনো ,,
ওরা একাই কাঁদে ,একাই হাসে , একাই ওদের অভিমান আর অভিলাষ ।
তবু রোজ একবার না একবার প্রশ্নচিহ্নের সামনে
এসে দাঁড়াতেই হয় ....কিসের ...আর কার জন্য এতো শব্দের পাহাড় ভাঙচি , হাড়ের ভেতর দধিচি যেন প্রতিজ্ঞাবদ্ধ ।
আসলে আমার মত জন্মগুলো চিরকাল প্রশ্ন চিহ্নের সামনে এসে থমকে যায় ......অজস্র যোতি চিহ্নের মধ্যে জ্বলজ্বল করে কেবল মাত্র ওই একটি চিহ্ন ,,
আমি দরজায় কোনো অগন্তুকের অপেক্ষায় রাখিনি ফলকনামা , মুছে দিতে চাই যাবতীয় ঠিকানা বয়ে চলা হরফ দের ।
চাইনি কেউ কখনো আমার উকুল দিয়ে ওঠা শব্দের কারণ জানতে চেয়ে দু দন্ড সময় অপচয় করুন ,, এ পৃথিবীতে বেঁচে থাকা একটা ব্যাস্ততার নাম ,,
কেউ কেনই বা এই স্বার্থের দুনিয়ায় অন্যের শব্দ নিয়ে ভাবনা অপচয় করবে ....,
এখন টানের ..অভাবের দিন কোনো অপচয়ই সময়ুপযুক্ত নয় , ,,
আমি এই বেঁচে থাকার দুনিয়ায় শব্দের দুনিয়ায় নীরবে নিঃশব্দে নির্বাক হয়ে চাই ,
সময়ের কাছে এ আমার শেষের প্রার্থনা ,, আমার গভীরে লুকিয়ে থাকা বোকাবাক্স বিকল হোক অতি দ্রুত , থামুক বকুম বকুম শব্দ ,,
কিছু জায়গা নিঃশব্দে ছেড়ে যেতেই হয় ,,
শিখে নিতে হয় কোথায় ঠিক থেমে যাওয়া উচিত ,
নিজের ভেতর ভীষ্ম কে জাগিয়ে ইচ্ছা মৃত্যু জরুরী ।
জানি এ লেখা হয়তো অন্ধকারের কথাই বলছে ...।
আমি প্রতিটা গাড় হয়ে আসা অন্ধকারে নিজের দৃষ্টি গেঁথে দিয়ে এ ফোঁড় ও ফোঁড় করে আলোর পথে এগিয়ে যেতে চাই .....চাই নির্বাক হতে ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন