প্রয়োজন গুলোর আজ আর তেমন কোনো আয়োজন তো নেই ,
দেওয়ালে ধুলো পরে যাওয়া ছবি ,, দূরে যাও এতটা দূরে যাতে নিউরনের স্ফুলিঙ্গে কখনো কোনো স্পর্শ না আসে ।
কেনো বারংবার কেনো ডাকো হাতছানি দিয়ে হাসতে থাকো উলঙ্গ খিদের হাসি ঘষা কাঁচের ওপারে দাঁড়িয়ে .....।
সমস্ত সহ্য পেরিয়ে আমি গোমূখের কাছে পৌঁছতে চাইছি ,
দয়া করে আমাকে আর দয়া করতে এসো না , দাঁড়িয়ে থেকো না গলির মোড়ে , অপেক্ষার বাসস্ট্যান্ড এ ।
আমি আগুনের ওপারে শেষের কবিতা উৎসর্গ করে শেষ হাসিটুকু হাসতে চাই এবার ,,
বাড়িটা ফাঁকা করেও আসবাবপত্রে স্পর্শ রাখছো কেনো ?।
তোমার তো নিজেকে রাখার অজস্র ঘর আছে... ছিলো চিরকাল ,
চুপচাপ দাঁড়িয়ে থেকো না , প্রতিদিন জানলা খুলে আমার শুকোতে দেওয়া জামা কাপড়ে কতটা তোমার গন্ধ রয়ে গেছে .....দেখতে এসো না ।
আমি পূর্ন যাত্রায় সমস্ত ফেলে হেঁটে যেতে চাই মহাপ্রস্থানের দিকে ....,
প্রতিটা মৃত্যুর আগে শেষ ইচ্ছায় লেগে থাকে কিছু
নিশ্চিত পাওনা ,, তোমার কাছে আমার মুখাগ্নি চেয়ে নিলাম .....ঘরে এসে আর দাঁড়িও না ,
আমার অসম্ভব একটা মৃত্যু আর সৎকার টুকু শেষ উপহারে দাও ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন