শেয়াল আর সন্ন্যাসীর মধ্যে তফাৎ কেন আজকাল দেখতে পাই সহজে !
......বুঝি তিলোত্তমা আমায় প্রাপ্তবয়স্ক করে দিয়েছে অদ্ভুত আতিথেয়তা ।
প্রথম প্রথম সন্ন্যাসী ভেবে ভালোবেসে এ শহর আপন হয়ে গেলো কখন বুঝে উঠতে বছর দশেক ভেসে গেলো .....,, সময় আর তিলোত্তমা আমায় সন্ন্যাসীর ভেকের ভেতর শেয়ালের সাথে মুখোমুখি দাঁড় করিয়ে বললো ....যা দেখছো যা ভাবছো অথবা যাকেই দেখছো যেভাবে ভাবছো ..সে আসলে আসল নয় ,, বাকরুদ্ধ ছিলাম নিজের ভেতর তখন প্রবল বিকার জ্বর ।
আমি এসব ভাবনা নিয়ে সময় আর তিলোত্তমার হাত ধরে রোজ গঙ্গার ঘাটে বসে প্রশ্ন বিছিয়ে শুশ্রূষা চেয়ে জিগ্যেস করি সময়ের ভারসাম্য কি এমন করেই হয় , আগুনের মনে কি চিরকাল গোপনে জলের ভয় থেকেই যায় !! ,
শুধুমাত্র আমার মত মানুষেরা সেসব খালি চোখে দেখতে পায়না !!
উত্তর দেবার অনেক শতাব্দী আগেই এ শহর নির্বাক হয়েছে .... বুঝতে পারি ।
আমার প্রশ্ন ,আমার সময়, আমার বিশ্বাস, আমার আস্থা , আমার একনিষ্ঠতা এই শহরকে ভালোবেসে কেবল আজ দ্বিধান্বিত ,
শুধু চেনা শোনা হয়ে যায় শেয়াল আর সন্ন্যাসী কখনো কখনো দ্বৈত স্বত্তায় একসাথে বসবাস করে ,,
তবু তবু এই অমিটা আলোর বিপরীতে ছুটে গিয়েও আলোর কাছেই গিয়ে দাঁড়ায় বারংবার।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন