বৃশ্চিকের পা খুঁজছি..সেই থেকে
ধূসর ডোরাকৃতি কিংবা রঙের.. ভেতর হেঁটে বেড়াচ্ছি সেই থেকে ।
পথ ভুলে গেছি অনেক বছর আগে
এ শহর, ও শহর ঘুরে বেড়াই... যাযাবর হবো বলে ।।
তোমাদের কাছে আমার বেঁচে থাকাটা যেন সাতমহলার ঝাড়বাতি তলায় সান্ধ্যকালীন উজ্জাপন ...
অভিশাপের বিপক্ষে দুর্দান্ত এক জয় তোমরা ভেবে নাও ...;আসলে গল্প লেখা আছে অন্য কোনো কলমে আগে থেকেই,, গুটির চালে বাদশা বেগম প্রহরী বিহীন সীমারেখায় দাঁড়িয়ে ....
গল্পের অভিলাষ যেখানে .........
.......সেখানে কাঞ্চনজঙ্ঘার মাথায় রোদ্দুরের আড়ালে মেঘের কৌশল আর কিছু মানচিত্র আগেই কেউ রেখে দেয় .
তোমাদের মঞ্চস্থ করার ইচ্ছেটা সেই আদিম নর্তকীরই ...,, কেউ টের পাচ্ছ না গোপন অভিযান ধেয়ে আসছে তোমার কিংবা তোমাদের উদ্দেশ্য করে ,
তুনীর থেকে তীর টা বেরিয়ে গেছে লক্ষের উদ্দেশ্যে, ফেরানো যায় কি তাকে ?
হঠাৎ নিজেদের দিকে চেয়ে দেখবে ..
বস্ত্রের অন্তরালে নগ্ন এক শব-শরীর... ফ্যাকাসে হয়ে আছে ।
এর পর জন্ম নিলে...গর্ভের মৃত্যু চাই....নিশ্চিত ,,,
বৃশ্চিকের পা খুঁজে না পেলে যে
মুখোশের মরু বালিতে পা পুড়ে যাবে জানা কথা ।
মাটিতে মুখ গুঁজে আর আমি
হারতে আসছি না নিশ্চিত..
তোমাদের পৃথিবী তোমাদেরই থাক..
প্রয়োজনহীন স্বজন উল্লাস আর নয়..।
নিয়ম বদলে গেছে..
" পাতা ঝরার দিনে কোন এক অদ্ভুত রোগ হলে..
অহেতুক অভিমান নিয়ে মরে যেতে ইচ্ছে হলে..
তোমাকে আবার সেই নিজের পূর্বজন্মের
মৃত্যু যাত্রা দেখতে হবে শীতের কুয়াশায়.."...!
আমি পালাতে চাইনা আর এবার মুখোমুখি হিসেব গুলো মিলিয়ে নেবার পালা ..
পালাতে চাইনা আমি....
অশ্লীল জন্ম বিলাসে আর কোনকালেই
ভালোবাসতে চাই না কোন আফিম-গন্ধকে...;;
বৃশ্চিকের পা খুঁজছি সেই থেকে ......
এ কবিতা তোমাদের উদ্দেশ্যে শমন নয় নিজের উদ্দেশ্য জেহাদ বলেই ধরে নিতে পারো তোমরা ।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন